ব্রাজিল বনাম মরক্কো ড্র: পারফরম্যান্স নিয়ে দানিলো ও কাসেমিরোর অসন্তোষ
মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপ শুরু করল ব্রাজিল। প্রথমার্ধের বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে দানিলোর সমালোচনা ও হাইতি ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত।
ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য ও জানাজার অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যাতে অংশ না নেয়, সেজন্য ব্যাপক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর বরাত দিয়ে একটি প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বক্তব্য উল্লেখ করে বলা হয়, খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কোনো দেশ যাতে তেহরানে না যায়, সে লক্ষ্যে গত পাঁচ দিন ধরে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিশ্বজুড়ে একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়েছেন। সূত্রের দাবি, গত ২৬ জুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে একটি গোপন বার্তা পাঠান। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়, ইরানের নেতার শেষকৃত্যে অংশ নেওয়াকে ওয়াশিংটন একটি ‘অবন্ধুসুলভ আচরণ’ হিসেবে গণ্য করবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়তে পারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন আরব কূটনীতিক নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অন্তত পাঁচটি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে এই বিষয়ে সরাসরি কথা বলেছেন। এছাড়া আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে এই মর্মে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তারা যদি তেহরানের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সাহায্য কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
এই মার্কিন চাপের কারণে ইতিমধ্যে উত্তর আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানে তাদের প্রতিনিধি দলের স্তর বা গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। মার্কিন প্রশাসনের এই কড়া অবস্থানের মুখে অন্তত ১৩টি দেশ শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে পুরোপুরি পিছিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে পূর্ব ইউরোপের তিনটি, আফ্রিকার পাঁচটি, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি দেশ রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের চাপের মুখে যারা অংশ নিতে পারেনি, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতাকারী কিংবা জেনেভা ও নিউইয়র্কে অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে ইরানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে কিছু দেশ সরাসরি প্রতিনিধি না পাঠিয়ে তেহরানে নিযুক্ত তাদের রাষ্ট্রদূতদের অনুষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও ইরান তা গ্রহণ করেনি।