সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যুতে মেসিকে সম্মান জানাবে বার্সেলোনা
নতুন করে সাজানো ক্যাম্প ন্যুতে লিওনেল মেসিকে বিশেষ সম্মান জানাতে চায় বার্সেলোনা। সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা জানিয়েছেন, স্টেডিয়ামের কাজ শেষ হলে পূর্ণ গ্যালারির সামনে আয়োজন করা হবে বিশেষ সংবর্ধনা।
ক্রীড়া: ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনের (পিএসজি) সভাপতি নাসের আল খেলাইফির বিরুদ্ধে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে ফ্রান্সের প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে ফুটবল ক্লাব ও ক্রীড়া সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান বিইন মিডিয়া গ্রুপের শীর্ষ পদে থাকার কারণে তাঁর ভূমিকা নিয়ে এই তদন্ত করা হচ্ছে। ২০ সেপ্টেম্বর প্যারিসের প্রসিকিউটর কার্যালয় তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ফরাসি পেশাদার ফুটবল লিগের (এলএফপি) সম্প্রচারস্বত্ব নিয়ে একটি বৈঠক। ওই বৈঠকের এক দিন আগে বিইন স্পোর্টস ফ্রান্সের লিগ ওয়ানের একটি ম্যাচ প্রতি সপ্তাহে সম্প্রচারের জন্য ১০ কোটি ইউরোর প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে এলএফপি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে।
ফরাসি দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন অ্যান্টিকরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত এপ্রিল তদন্তটি শুরু হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্নীতিবিরোধী ও আর্থিক পুলিশ ইউনিটের (BFAC) ওপর।
মামলাসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, বিইন মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে খেলাইফি যে প্রতিষ্ঠানের বিড অনুমোদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন, সেটিই সম্ভাব্য স্বার্থের দ্বন্দ্বের প্রশ্ন তুলেছে। অ্যান্টিকরের অভিযোগ, বিইন স্পোর্টসের প্রস্তাবটি সমর্থনের জন্য লিগ ওয়ানের অন্য ক্লাবগুলোর সভাপতিদের ওপরও খেলাইফি চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। এসব অভিযোগের সত্যতা এখন তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
খেলাইফির আইনজীবী রেনোঁ সেমার্দজিয়ান অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন। এএফপিকে তিনি বলেছেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আইনগত ও বাস্তব—উভয় দিক থেকেই ভিত্তিহীন। খেলাইফি সব সময় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, বিইন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের নৈতিকতা কাউন্সিলকে দেওয়া এক চিঠিতে বলেছিল, খেলাইফি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হলেও বিইন মিডিয়া গ্রুপ বা বিইন স্পোর্টস ফ্রান্সের দৈনন্দিন পরিচালনা ও নির্বাহী দায়িত্বে নেই। এসব দায়িত্ব সিইও ইউসেফ আল-ওবেইদলির হাতে রয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল।
ফ্রান্সে কোনো প্রাথমিক তদন্ত শুরু হওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। এ পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণ যাচাই করে থাকে। খেলাইফির বিরুদ্ধে চলমান তদন্তও সেই পর্যায়েই রয়েছে।
খেলাইফি ২০১১ সালে কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্টসের হাতে পিএসজির মালিকানা যাওয়ার পর থেকে ক্লাবটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি বিইন মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ফরাসি ফুটবল প্রশাসনের সঙ্গেও বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন।