যশোরে শার্শা সীমান্ত থেকে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার ২৬টি স্বর্ণের বারসহ যুবক গ্রেপ্তার
যশোরের শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩ কেজি ৪৩৮ গ্রাম ওজনের ২৬টি স্বর্ণের বারসহ এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন। জব্দ করা স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
ঢাকা: সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আজ বুধবার আদালতে জমা দেয়নি তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ফলে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। এ নিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১৩০ বার পেছাল।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে আজ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পিবিআই প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাগর সরওয়ার ও তাঁর স্ত্রী মেহেরুন রুনি। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে থানা-পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তদন্তের দায়িত্ব নেয়। ডিবি ব্যর্থতা স্বীকার করার পর আদালতের নির্দেশে ২০১২ সালের এপ্রিলে মামলার তদন্তভার র্যাবের কাছে যায়।
দীর্ঘ সময় র্যাব তদন্ত করলেও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়নি। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়। গত বছরের ৪ নভেম্বর র্যাবের কাছ থেকে মামলার নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই।
২০২৬ সালেও একাধিকবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছানো হয়েছে। মে মাসে ১২৬তম এবং জুনে ১২৭তমবারের মতো সময় বাড়ানো হয়েছিল।
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল হয়নি। সর্বশেষ সময় বৃদ্ধির পর আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে চলতি বছর আগস্টেও আদালত তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়ায় ১২৯তমবারের মতো সময় বাড়িয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মামলাটি নিয়ে নতুন করে বিভিন্ন তথ্য ও দাবি সামনে এসেছে। আগস্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার সূত্র পাওয়ার দাবি করেছিলেন, তবে তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হওয়ার জন্য তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এখনো অন্যতম প্রধান অপেক্ষার বিষয় হয়ে রয়েছে।