ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ভয়াবহ আগুন: পুড়লো ২০ দোকান
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হল ও এলপিজি গুদামসহ প্রায় ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
চট্টগ্রাম: নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পূর্বানুমতি ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর-সংশ্লিষ্ট ছবি, ভিডিও, নকশা এবং পরিচালনাগত যেকোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার গুঞ্জন ও চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে হঠাৎ করে এই নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে এর আইনি ভিত্তি ও সময় নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও ব্যুরোপ্রধানদের কাছে পাঠানো হয়।
বন্দর ব্যবহারকারী ও গণমাধ্যমগুলোর প্রতি দেওয়া ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে পূর্বানুমতি ছাড়া বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জাহাজ ও পণ্য ওঠানামানোর কার্যক্রম, নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং অবকাঠামো-সংশ্লিষ্ট কোনো ছবি, ভিডিও বা পরিচালনাগত তথ্য গণমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ বা প্রচার করা যাবে না। এই নির্দেশনা অমান্য করা হলে ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২’ এবং ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩’-এর অধীনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের এমন একটি সময়ে এই কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যখন নিউ মুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য বিদেশি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-কে ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে বন্দরকেন্দ্রে তীব্র আলোচনা, অসন্তোষ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই ইজারা প্রস্তাবের প্রতিবাদে আন্দোলনকারীরা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মুনিরুজ্জামানের পদত্যাগ দাবি করেছেন এবং তাঁকে ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ১৩ অক্টোবর চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাও এবং তাঁকে কার্যালয় থেকে বের হতে না দেওয়ার মতো কঠোর কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন তাঁরা।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তথ্য প্রকাশে হঠাৎ এই বিধিনিষেধ আরোপ করায় সচেতনমহল ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ, নাকি এর আড়ালে বন্দরকেন্দ্রিক জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অনিয়ম ও সংবাদ প্রকাশ বাধাগ্রস্ত করার কোনো অপচেষ্টা রয়েছে তা নিয়ে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।