রিশালে প্রতিটি মন্দিরে নিরাপত্তা দেওয়া হবে: এমপি মজিবর রহমান সরোয়ার
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বরিশালের মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন এমপি মজিবর রহমান সরোয়ার।
মোঃ হারুন অর রশীদ || লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজন নিশ্চিত করতে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)। রংপুর সেক্টরের অধীনস্থ এই ব্যাটালিয়নের আওতাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা এবং ব্যাটালিয়ন সদরের নিকটবর্তী সর্বমোট ১৬০টি পূজামণ্ডপে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ এফ এম জুলকার নাঈন (পদাতিক) জানান, পূজাকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সমন্বিত নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে নিয়মিত সীমান্ত টহল জোরদার, কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি এবং ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিজিবি, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লালমনিরহাট সদর উপজেলার শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ দুর্গা মণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে তাঁদের মূল ধর্মীয় উৎসব উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে জন্য বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বিজিবি বিশ্বাস করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সর্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধ চিরকাল বজায় থাকবে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের আওতাধীন লালমনিরহাট সদর, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা এবং কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটার এবং ব্যাটালিয়ন সদর থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বমোট ৯ প্লাটুন বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত শূন্য লাইন থেকে ৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১৭টি বিওপির দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ১৫৩টি পূজামণ্ডপ এবং ব্যাটালিয়ন সদরের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে ৭টিসহ সর্বমোট ১৬০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করবে বিজিবি। মণ্ডপে আগত পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন।