তুরস্কে সালাহর রেকর্ড, প্রথম সাত ম্যাচেই ১০ গোলে অবদান
ট্রাবজোনস্পোরের হয়ে তুর্কি সুপার লিগে প্রথম সাত ম্যাচে সাত গোল ও তিন অ্যাসিস্ট করেছেন মোহামেদ সালাহ। নতুন ক্লাবে গড়ে তুলেছেন অনন্য রেকর্ড।
ক্রীড়া: টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ওয়ানডে ফরম্যাটে এখনও খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটের দুই স্তম্ভ রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। তবে ২০২৭ সালের ওয়ানডে আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপ আসতে এখনও কিছুটা সময় বাকি থাকলেও, সেই মেগা ইভেন্টে এই দুই অভিজ্ঞ তারকা খেলবেন কি না তা নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে জোর চর্চা চলছে। এ নিয়ে চলা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি মিঠুন মানহাস স্পষ্ট জানিয়েছেন, বয়স নয়—ফিটনেস ও পারফরম্যান্স ঠিক থাকলেই আগামী বিশ্বকাপে দেখা যাবে রোহিত-কোহলিকে।
২০২৭ সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট চলাকালে রোহিত শর্মার বয়স হবে ৪০ বছর এবং বিরাট কোহলির বয়স হবে ৩৮ বছর। এই বয়সে তাঁদের ফিটনেস এবং স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্টস্টার’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিসিসিআই প্রধান মিঠুন মানহাস জানান, দল নির্বাচনের মূল এখতিয়ার নির্বাচক ও কোচদের। তবে বিসিসিআইয়ের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, “দল নির্বাচনের একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত খেলোয়াড়ের ফিটনেস ও মাঠের পারফরম্যান্স, কোনোভাবেই বয়স নয়। কেউ যদি খেলার জন্য শতভাগ ফিট থাকেন এবং জাতীয় দলের হয়ে পারফর্ম করে ম্যাচ জেতাতে ভূমিকা রাখতে পারেন, তবে শুধু এই মানদণ্ডের ওপরই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতের অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে ২৭ বছর বয়সী উদীয়মান তারকা শুভমান গিলের হাতে। অধিনায়ক হিসেবে এটিই হতে যাচ্ছে গিলের ক্যারিয়ারের প্রথম বড় কোনো আন্তর্জাতিক আইসিসি টুর্নামেন্ট।
শুভমান গিলের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে বিসিসিআই প্রধান বলেন, “বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা কিংবা হার্দিক পান্ডিয়ার মতো জ্যেষ্ঠ ক্রিকেটাররা দলে থাকাটা গিলের জন্য বড় সুবিধা হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতা মাঠের চাপ সামলাতে সাহায্য করবে। এছাড়া বোলিং আক্রমণে জসপ্রীত বুমরাহের মতো তারকা রয়েছেন, যিনি পুরো পেস বিভাগকে নেতৃত্ব দিতে পারেন। মূল বিষয় হচ্ছে মাঠের দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে ভাগ করে নেওয়া।”
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের সঠিক মেলবন্ধন ঘটাতে পারলে ২০২৭ বিশ্বকাপে ভারত অন্যতম পরাশক্তি হিসেবেই মাঠে নামবে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রোহিত ও কোহলির তৎকালীন দৈহিক ফিটনেস ও ব্যাটিং ফর্মই নির্ধারণ করবে তাঁদের বিশ্বকাপ যাত্রা।