ভুল হাতে এআই গেলে কোটি মানুষের প্রাণহানি হতে পারে: বিল গেটস
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি না থাকলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিল গেটস। ভুল হাতে শক্তিশালী এআই গেলে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কার কথাও বলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে দেশটির ওপর আর কোনো আস্থা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তাঁর অভিযোগ, আগের দফার আলোচনার পরও তেহরানের ওপর দফায় দফায় হামলা চালানো হয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচারিত হয়।
সাক্ষাৎকারে ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমেরিকার ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই। তাদের অতীত আচরণের পর তাদের সঙ্গে কীভাবে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব, সেটি আমাদের বোধগম্য নয়।’
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এই সফরে যুদ্ধ বন্ধ এবং সাত দিনের মধ্যে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছে তেহরান।
আব্বাস আরাগচি জানান, এই প্রস্তাবের প্রথম ধাপগুলো বাস্তবায়নে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগবে। ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং সপ্তম দিনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা শুরু হবে।
এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান কয়েকটি নির্দিষ্ট শর্ত বা পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে:
ইরানের বন্দর ও নৌচলাচলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ প্রত্যাহার।
দেশটির তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ অবমুক্ত করা।
লেবানন ও ইয়েমেনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানান, বর্তমানে কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে ইরানের এই বার্তা ও প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, চলমান এই আলোচনার ভিত্তি গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক।
তবে ওই সমঝোতার মেয়াদ গত মাসে শেষ হয়ে যাওয়ায় ওয়াশিংটনকে প্রথমে এই চুক্তি নিয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসের সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কোনো সমঝোতার প্রস্তাব নিয়ে তেহরান যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান তিনি।