ভুল হাতে এআই গেলে কোটি মানুষের প্রাণহানি হতে পারে: বিল গেটস
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি না থাকলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিল গেটস। ভুল হাতে শক্তিশালী এআই গেলে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কার কথাও বলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক: ভারত যুদ্ধ নয়, বরং শান্তিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, ভারতের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে যেন কেউ দুর্বলতা বলে ভুল না করে। যতদিন কোনো প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়া অব্যাহত রাখবে, ততদিন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক অভিযান চালাতে নয়াদিল্লি প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘এনডিটিভি ডিফেন্স সামিট ২০২৬’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই কড়া বার্তা দেন। এক দিনের এই সম্মেলনে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, প্রযুক্তি ও কৌশলগত বিষয় নিয়ে জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এবং শিল্প খাতের নেতারা আলোচনা করেন।
সম্মেলনে রাজনাথ সিং বলেন, ভারত অন্য কোনো দেশের ভূখণ্ড দখল করতে চায় না বা কাউকে হুমকি দিতেও ইচ্ছুক নয়; তবে নীরবতা আর দুর্বলতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভারত শান্তি চায়, কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। আমাদের প্রতিবেশী দেশ যতদিন সন্ত্রাসবাদে মদদ দিয়ে যাবে, ততদিন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযান চালানোর জন্য আমরা প্রস্তুত থাকব—এ কথাই আমরা তাদের এবং বিশ্বকে জানাতে চাই।’
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে ‘প্রতিবেশী দেশ’ বলতে মূলত পাকিস্তানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। রাজনাথ সিং আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, ভারত পারস্পরিক সংলাপে বিশ্বাসী, কিন্তু কোনো দেশ যদি সন্ত্রাসী কার্যক্রমে মদদ দেয়, তবে সেই সংলাপের তাৎক্ষণিক অবসান ঘটবে। জাতীয় স্বার্থের বিনিময়ে ভারত কোনো ধরনের সহযোগিতা বা আপসে যাবে না।
সম্মেলনে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ আধুনিক যুদ্ধে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যযুদ্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তি সরাসরি লড়াইয়ের সময়কাল কমিয়ে দিলেও যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যযুদ্ধ ও নানা বয়ান তৈরির মাধ্যমে অনেক সময় প্রকৃত যুদ্ধের চিত্র আড়াল হয়ে যায় এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
সেনাপ্রধান দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যুদ্ধের সাফল্যের একমাত্র বাস্তব ও কার্যকর ভিত্তি হলো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ। অতীতে যেমন ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে বিজয় পরিমাপ করা হয়েছে, আজও তা অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আর সেই ভূখণ্ড সুরক্ষিত রাখা ও প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্ব সেনাবাহিনীর মাধ্যমেই সম্পাদিত হয়।