রেকর্ডের আরও কাছে মেসি, ফ্রি-কিক গোলে সামনে এখন শুধু মার্সেলিনহো
ইন্টার মায়ামির হয়ে কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে গোল করে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে সরাসরি ফ্রি-কিক গোল বেড়ে হয়েছে ৭৬টি। সর্বকালের তালিকায় সামনে এখন শুধু মার্সেলিনহো কারিওকা।
স্পোর্টস: রেফারিদের সুবিধা দেওয়া সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ এবং এফসি বার্সেলোনাকে মাদ্রিদের একটি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বর এই মামলার সমঝোতামূলক শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই শুনানির পর সন্তোষজনক সমাধান না হলে পেরেজের বিরুদ্ধে মানহানির ফৌজদারি মামলা দায়ের হতে পারে।
গত মে মাসে রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ একটি সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন যে, বার্সেলোনা রেফারিদের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা পাওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করছে। বিশেষ করে স্পেনের রেফারি কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি হোসে মারিয়া এনরিকেস নেগ্রেইরার সঙ্গে বার্সেলোনার আর্থিক লেনদেনের প্রসঙ্গ টেনে পেরেজ এটিকে ‘ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুতর দুর্নীতির ঘটনা’ বলে আখ্যায়িত করেন। সে সময় তিনি আরও দাবি করেন, রেফারিদের কারসাজির কারণে রিয়াল মাদ্রিদ বেশ কয়েকটি লিগ শিরোপা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং তাঁর প্রাপ্য অর্ধেকের বেশি শিরোপা ‘চুরি হয়ে গেছে’।
পেরেজের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে গত ১২ জুন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে এফসি বার্সেলোনা। কাতালান ক্লাবটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, পেরেজের করা মন্তব্যগুলো ডাহা মিথ্যা, মানহানিকর এবং ক্লাবের দীর্ঘদিনের ভাবমূর্তি ও সুনামের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বার্সেলোনা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পেরেজকে তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। সমঝোতা প্রক্রিয়ায় এর সুরাহা না হলে তাঁরা ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করতে পিছপা হবেন না।
উল্লেখ্য, বার্সেলোনা প্রায় দুই দশক ধরে নেগ্রেইরার সঙ্গে যুক্ত কিছু কোম্পানিকে প্রায় ৭০ লাখ ইউরো প্রদান করেছে—এমন অভিযোগে স্পেনের আদালতে একটি তদন্ত চলছে। এই অর্থের বিনিময়ে প্রতিযোগিতায় কোনো অবৈধ সুবিধা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বার্সেলোনা শুরু থেকেই যেকোনো অনিয়মের অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, ওই অর্থ কেবল ম্যাচ ও রেফারিদের বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনের জন্য দেওয়া হয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালে স্পেনের একটি আদালত বার্সেলোনার বিরুদ্ধে আনীত ঘুষের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল।
আগামী ২৫ নভেম্বর আদালতের এই সমঝোতা শুনানি স্প্যানিশ ফুটবলের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার মধ্যকার শীতল লড়াইকে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।