দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ছুটি, টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা
দুর্গাপূজায় ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস খোলা থাকবে এবং ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পুনর্বহাল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ আমাদের ওপর তাদের স্বার্থ দেখার দায়িত্ব দিয়েছে। সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং তা রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। এই দ্বিপক্ষীয় সফর থেকে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে সেটি পুরো বাংলাদেশের অর্জন, এ দেশের সাধারণ মানুষের অর্জন।”
শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৬তম কার্যদিবসে এক ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবের জবাবে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন। গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সরকারি ছয় দিনের সফল সফরের জন্য সংসদের পক্ষ থেকে এই ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যা পরবর্তীতে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম-এর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। সফর শেষে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হলে তিনি সব সংসদ সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “যে স্লোগান ও লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করি, তা হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’। দেশের স্বার্থই আমাদের কাছে সবার আগে।” এ সময় তিনি সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার জন্য বিরোধীদলীয় নেতাকেও বিশেষ ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতাও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য আমাদের সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন।”
এর আগে সংসদে ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর প্রস্তাবটির ওপর সংসদে বিস্তারিত আলোচনা শেষে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা এই সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এবং অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে একটি ‘যুগান্তকারী ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই দুই দেশ সফরের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সংসদের সামনে তুলে ধরেন।
প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়ার আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাঁর মন্তব্যে বলেন, “সংসদের এই আলোচনাগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।”