চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, মাঝে পড়ে লাইটার
চট্টগ্রাম বন্দরের কুতুবদিয়া বহির্নোঙরে এমভি এইচজি সিডনি এপিজে শিরিন ও একটি লাইটার জাহাজে ধাক্কা দিয়েছে। ঘটনায় কেউ হতাহত হননি, সামুদ্রিক দূষণও হয়নি।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সদ্য পদচ্যুত ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় পদে বহালের দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ ও মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সাবেক ভিসির প্রতি অনন্য সম্মান ও সমর্থন জানাতে নিজেদের মুখের সামনে তাঁর ছবি ধরে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে স্বাধীনতা চত্বর ঘুরে পুনরায় একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলজুড়ে শিক্ষার্থীদের হাতে ও মুখের সামনে ছিল সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সায়েমের পোট্রেট বা মুখাবয়বের ছবি। এ সময় শিক্ষার্থীরা “তোমার ভিসি, আমার ভিসি—সায়েম স্যার, সায়েম স্যার” এবং “এক দফা, এক দাবি—সায়েম স্যারকে ভিসি চাই” ইত্যাদি স্লোগানে উত্তাল করে তোলেন পুরো ক্যাম্পাস।
মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। অবস্থান কর্মসূচিতে বহিরাগতদের উপস্থিতির অভিযোগ খণ্ডন করতে শিক্ষার্থীরা মুখের সামনে থেকে সাবেক ভিসির ছবি সরিয়ে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) উঁচিয়ে ধরেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৭ জুলাই যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব পালনের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় ২১ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই তাঁকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। মাত্র ৫৬ দিনে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা এই উপাচার্যকে অন্যায়ভাবে অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।
অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিশেষ বার্তা পাঠ করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী নাবিলা রাইসা। তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার নবজাগরণের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন তৈরি হয়েছে, আমরা তার তরুণ প্রজন্ম। ৯৯ শতাংশ চুয়েট শিক্ষার্থীর প্রাণের দাবি—অধ্যাপক সায়েম স্যারকেই পুনরায় চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহাল করা হোক। আমরা বিশ্বাস করি মানবিক ও সহানুভূতিশীল সরকার আমাদের এই যৌক্তিক দাবি সানন্দে বিবেচনা করবে।”
উল্লেখ্য, পদচ্যুত উপাচার্যকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তাল রয়েছে চুয়েট ক্যাম্পাস। এর আগে শিক্ষার্থীরা কমপ্লিট শাটডাউন, মশাল মিছিল ও লাল কার্ড প্রদর্শনের মতো ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে আসছেন।