২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে তথাকথিত মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগ নেতা একরামুল হককে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার (২৬ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করে প্রসিকিউশন। প্রতিবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ও মোবাইল ফোনের অডিও প্রকাশ
২০১৮ সালের সারা দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ওই বছরের ২৬ মে রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া এলাকায় র্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন টানা তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর একরামুল হক।
ঘটনার পর থেকেই একরামুলের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত ও ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছিল। ৩১ মে কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁর স্ত্রী আয়েশা বেগম বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। একই সাথে তিনি সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষ কিছু ফোনকল রেকর্ডিং সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করেন।
প্রকাশিত রক্তহিম করা সেই অডিও ক্লিপে গুলির শব্দ, অস্ত্র লোড করার শব্দ এবং একজন মানুষের শেষ মুহূর্তের গোঙানির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল।