পিলজংগ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছাত্রনেতা মোল্লা ফরহাদ
বাগেরহাট থেকে আসাদুজ্জামান শেখ।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩ নং পিলজংগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছে মোল্লা ফরহাদ হোসেন। সাবেক এই ছাত্রনেতাকে ঘিরে ইউনিয়নজুড়ে রাজনীতির মহলে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর শিক্ষা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ইউনিয়নের ভোটারদের মাঝে পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
তার রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে ২০০৮ সালে পিলজংগ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রদল যোগদানে তার রাজনীতি জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে ২০১১ সালে শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হন, ২০১৪ সালে পিলজংগ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হন। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথ থেকে বিশেষ ভুমিকা পালনের কারণে একাধিকবার আওয়ামী লীগের হামলা এবং নাশকতা মামলার স্বীকার হয়েছিলেন। দলের সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণের কারণে তাকে ২০২২ সালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি খুলনা সরকারি বিএল কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
৩ নং পিলজংগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা ফারহাদ হোসেন বলেন, বিগত ১৭ বছর দলের দুঃসময়ে নির্যাতিত ও নিপীড়িত নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিক বার হামলা ও মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়েছি। দল যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে তাহলে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনগণের কল্যাণে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে এক্যবদ্ধ হয়ে ইউনিয়ন বাসীর জন্য কাজ করবো।
তিনি আরো বলেন, বিগত ১৭ বছরে দলের দুর্দিনে রাজপথে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছি। যে কারণে দলের কাছে আমি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা কামনা করছি।তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পিলজংগ ইউনিয়নের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করার এবং মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার এবং যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং ইউনিয়নে সকল প্রকার চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজী ও ভূমি দখলবাজ প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।