রামপালে ফয়লাহাট কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৭০০ ফলদ গাছের চারা বিতরণ
বাগেরহাটের রামপালে ফয়লাহাট কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অধীনে ৭০০ ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বাগেরহাট থেকে আসাদুজ্জামা শেখ সোবহান:
দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়ক খুলনা-মংলা মহাসড়ক। খুলনা-মংলা মহাসড়কের মংলা থেকে রূপসা পর্যন্ত সর্বত্র রয়েছে ছোট-বড় খানা-খন্দ। এ সব খানা-খন্দের কারণে মহাসড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। চলাচলের অনুপযোগী হওয়া সত্ত্বেও সর্বত্র চলছে হাজার হাজার পরিবহন। বাস,ট্রাক,লরি, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট গাড়ি, মোটর সাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইক সহ সব ধরণের যানবাহন চলাচলের একমাত্র সড়ক হওয়ায় জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েই চলছে এসব যানবাহন।
জানা গেছে, বিগত প্রায় ৭/৮ বছর ধরে রাস্তার এ হালদশা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আর বর্ষার মৌসুম এটি আরও করুণ দশায় পরিণত হয়। এ কারণে ভুক্তভোগীর শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন পরিবহনের চালকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিণœ স্থানে রয়েছে এ খানা-খন্দ। বিশেষ করে মহাসড়কের কাটাখালি থেকে ভাগা পর্যন্ত অসংখ্য স্থানে ছোট-বড় খানা। শ্যামবাগাত পুরাতন মাছ কোম্পানীর রাস্তার অবস্থা আরও বেশি খারাপ।
বাস-গাড়ি দ্রুত গতিতে চলাচল করতে পারেনা। একটু অসাবধানতা হলেই ঘটে দুর্ঘটনা। রাস্তা পারাপার অথবা পরিবহন ক্রসিং এর সময় চালকদের খুব বেগ পেতে হয়। বর্ষার সময় গাড়ির আশেপাশে লোকজন থাকলে তাকে কাদামাটি মাখতে হয়। এ ছাড়াও রাস্তার দুইপাশে বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক সংলগ্ন গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। মোংলা দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর।
এ বন্দরে আমদানী-রপ্তানী পণ্যসহ স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা উৎপাদনমুখী ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য স্থল পথে পরিবহন ও যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম মোংলা-খুলনা মহাসড়ক। মহাসড়কটির সড়ক ও জনপথ বিভাগের ২৫ কিলোমিটার এবং ৫ কিলোমিটার মোংলা বন্দরের আওতায়। মহাসড়কের পাশে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হাট। বিদেশ থেকে বিভিণœ গাড়ি ও মালামাল মংলা বন্দরের মাধ্যমে এ সড়ক দিয়েই আনা-নেওয়া নকরতে হয়। আবার পদœা বহুমুখী সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ যানবাহন ঢাকায় যাতায়াতে খুলনা-মংলা মহাসড়ক ব্যবহার করে। নানাবিধ কারণে এ মহাসড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম হলেও কর্তৃপক্ষের কাছে এর গুরুত্ব নিয়ে জনগণের মনে রয়েছে নানান প্রশ্ন।
মহাসড়কের দুর্দশা নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও টিভি নিউজে একাধিকবার নিউজ হলেও মহাসড়কটির কোন উন্নতি হয়নি। সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন সময় সংস্কার করতে দেখা গেলেও তা’ নামমাত্র সংস্কার হয়। সংস্কারের সপ্তাহ-মাস পেরুতে না পেরুতে সেখানেই আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। এলাকাবাসীর অভিমত পরিকল্পিতভাবে সংস্কার না করলে যে কোন সময় আরও বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানান, বর্ষা মৌসুমে এ সমস্যা প্রতিনিয়ত হয়। বিভিন্ন সময় তারা সংস্কার করে আসছে। আর দিগরাজ থেকে মংলা বন্দর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে ।