কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের ২৪ শিক্ষার্থী আহত
কক্সবাজারে যাওয়ার পথে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস উল্টে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২৪ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জেলা প্রতিনিধি,যশোর : রকার কর্তৃক চলতি বোরো মৌসুমে ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহের অভিযান চলছে, যা ৩ মে ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগ্রহ মূল্য (প্রতি কেজি): ধান: ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল: ৪৯ টাকা, আতপ চাল: ৪৮ টাকা, গম: ৩৬ টাকা।
সংগ্রহের নিয়ম ও প্রক্রিয়া: ধান সংগ্রহ ৩ মে থেকে এবং চাল সংগ্রহ ১৫ মে থেকে শুরু হয়েছে। কৃষকদের সুবিধার্থে ‘কৃষকের অ্যাপস’-এর পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে “আগে এলে আগে দেবেন” ভিত্তিতে সরাসরি ধান কেনা হচ্ছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে।
এরই মধ্যে যশোরের অভয়নগরে চলতি বৎসরের ধান সংগ্রহ অভিযানে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ১২% পযন্ত আদ্রতার মাত্রা নির্ধারণ করা থাকলেও তার থেকে বেশি পরিমাণ আদ্রতা যুক্ত ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতি মণে ৪১.৫০ কেজি নেওয়ার কথা থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ৪৩ থেকে ৪৫ কেজি পযন্ত।
সংগৃহীত ধানগুলি এত ভেজা যে তা গোডাউন সংলগ্ন খালি স্থানে শুকিয়ে বস্তাজাত করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকৃত কৃষকদের নিকট থেকে ধান সংগ্রহের নিয়ম থাকলেও কতিপয় মুখচেনা দলীয় লোকদের নিকট থেকে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলার পাথালিয়া গ্রামের শওকত হোসেন বলেন, ধান দিতে এসে খুব হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ধান দিতে এসে আমার মত আরও অনেকে বিড়ম্বনার শিকার হয়ে আড়তে বিক্রি করে চলে গেছে। নওয়াপাড়া গ্রামের রাজ্জাক, শফিকুল, শরখোলা গ্রামের হাফিজুল, দিয়াপাড়া গ্রামের আলী হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমরা ধান দিতে এসে শুনি ইউএও স্যার ধান নেওয়া স্থগিত ঘোষণা করেছেন।
তিনি বলেছেন, যা নেওয়া হয়েছে তা গুদামজাত করার পর যে পরিমাণ খালি থাকবে সে পরিমাণ ধান পুনরায় নেওয়া হবে। অথচ এ বিষয়ে কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমরা ধান দিতে এসে জানতে পেরেছি। পরে ধানগুলি আমরা আড়তে বিক্রি করে দিয়েছি।
এ সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে নওয়াপাড়া খাদ্য গুদাম রক্ষক এলএসডি (LSD – Local Storage Depot) এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।