জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: ইসরাইলে তীব্র নিন্দা, বিপাকে নেতানিয়াহু

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

বিশ্বব্যাপী স্বস্তির বার্তা দিয়ে যুদ্ধ বন্ধে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কিন্তু এই ঐতিহাসিক চুক্তিটিকে ইসরাইল তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। চুক্তিতে লেবানন ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকলেও গাজা ইস্যু না থাকায় একদিকে যেমন ফিলিস্তিনিরা হতাশ, অন্যদিকে ইসরাইলের ভেতর-বাইরে বইছে সমালোচনার ঝড়।

ইসরাইলি রাজনীতিকদের তীব্র নিন্দা

ইসরাইলের সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষের নেতারাই এই চুক্তির বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছেন:

  • ইতামার বেন-গভির (জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী): সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই চুক্তি তেলআবিবের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

  • বেজালেল স্মোট্রিচ (অর্থমন্ত্রী): তিনি এই চুক্তিকে ইসরাইল এবং সমগ্র বিশ্বের জন্য চরম ক্ষতিকর বলে অভিহিত করেছেন।

  • ইয়াইর গোলান (বিরোধী দলীয় নেতা): এই চুক্তিকে ইসরাইলের সামরিক সাফল্যের ওপর ‘বিধ্বংসী আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ‘বিচ্ছিন্ন ও ক্ষমতাহীন’ বলে তোপ দেগেছেন।

ইসরাইলের সাধারণ বাসিন্দারাও এই চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে সন্দিহান। তাদের মতে, এই চুক্তি কেবল এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করবে। অনেক বাসিন্দা মনে করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত বড়জোর দুই বছর এই চুক্তি টিকতে পারে, এরপর পরিস্থিতি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্কেও ফাটল ধরার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

শান্তিচুক্তিটি কেবল ইসরাইলেই নয়, বরং ইরান ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যেও কিছু ক্ষেত্রে অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জোনাথন রিনহোল্ডের মতে, বেশিরভাগ ইসরাইলি এই চুক্তিটিকে ‘অত্যন্ত খারাপ’ হিসেবে দেখছে। বর্তমানে পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, এটি আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অবস্থানকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন আনলেও, এর ফলে ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিকে বন্ধুপ্রতিম দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বিরোধী শিবিরের চাপ—সব মিলিয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখন এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার সম্মুখীন।

Related News

নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অভিনন্দন

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯টি ভোটের মধ্যে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ভোট পড়েছে মোট ৩৪৩টি।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি একে একে বাস্তবায়ন করা হবে: এমপি রাহাদ

বাগেরহাটে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতা সভায় এমপি শেখ মনজুরুল হক রাহাদ। জলবায়ু সংকট, বিশুদ্ধ পানি ও বেড়িবাঁধ নির্মাণে তাগিদ।

দশানী-গিলাতলা সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন

বাগেরহাটের দশানী-গিলাতলা সড়কের স্থগিত থাকা সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ৭২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন প্রকল্প।

জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬: লালমনিরহাটে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী ও শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষিদের সম্মাননা

লালমনিরহাটে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ৩ জন সফল মৎস্যচাষিকে জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রদান।

মজিদা খাতুন সরকারি মহিলা কলেজের নবনির্মিত ছয়তলা ভবনের উদ্বোধন করলেন ত্রানমন্ত্রী দুলু

লালমনিরহাটের মজিদা খাতুন সরকারি মহিলা কলেজে ৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬ তলা নতুন একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

১৭ বছরে যতগুলো হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, প্রতিটি হত্যার বিচার করা হবে- আইনমন্ত্রী

বরিশাল আইনজীবী সমিতির ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। ১৭ বছরের সব হত্যার বিচার ও বিচার বিভাগে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা।

১৬ বছরের স্বৈরশাসনে সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি বিচারবহির্ভূত হত্যা: আইনমন্ত্রী

গত ষোলো বছরের শাসনামলে ক্রসফায়ারের অজুহাতে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার…

Search