সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় ডিজিটাল ল্যাব, বিশেষ প্রশিক্ষণ ও স্বতন্ত্র পুলিশ ইউনিট গঠন সরকারের
সাইবার অপরাধ দমনে স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন ও পুলিশ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার।
ঢাকা: গরু, ভেড়া বা অন্য কোনো পশুর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পর অনেকের মধ্যে যে পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা দেয়, তার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ‘ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স’। এটি এমন একটি অবস্থা যখন শরীর দুধে থাকা চিনি বা ল্যাকটোজকে সঠিকভাবে ভেঙে হজম করতে পারে না।
ক্ষুদ্রান্ত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে ‘ল্যাকটেজ’ নামক এনজাইম তৈরি না হলেই এই সমস্যা দেখা দেয়, কারণ এই এনজাইমই ল্যাকটোজকে শোষণযোগ্য করতে সাহায্য করে। এই সমস্যা এশিয়ান, আফ্রিকান, মেক্সিকান এবং আদিবাসী আমেরিকানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
দুধজাতীয় খাবার খাওয়ার কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে।
তবে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, টানা তিন সপ্তাহের কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তসহ পায়খানা, অতিরিক্ত পেট ফোলা বা দ্রুত ওজন কমা হলে দ্রুত একজন গ্যাস্ট্রোলজি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি।
ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের তুলনায় ফুড অ্যালার্জি অনেক বেশি গুরুতর। অ্যালার্জির ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো ভয়াবহভাবে প্রকাশ পায় এবং দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।
ল্যাকটোজযুক্ত খাবার এড়িয়ে চললে যদি লক্ষণগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যায়, তবে প্রাথমিকভাবে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বোঝা যায়। এছাড়া রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা, হাইড্রোজেন ব্রেদ টেস্ট বা শিশুদের ক্ষেত্রে মলের অ্যাসিডিটি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নিশ্চিত করা যায়।
ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের স্থায়ী কোনো চিকিৎসা নেই। তবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা ল্যাকটোজযুক্ত খাবার খাওয়ার আগে ল্যাকটেজ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করে লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
গরু, ছাগল ও ভেড়ার দুধসহ দুগ্ধজাত পণ্য যেমন মাখন, পনির, ক্রিম, দই ও আইসক্রিমে ল্যাকটোজ থাকে। এছাড়া অনেক প্রক্রিয়াজাত খাবার (সিরিয়াল, রুটি, কেক, বিস্কুট, সস, প্রোটিন শেক) তৈরিতেও ল্যাকটোজ ব্যবহৃত হতে পারে।