২০২৬ সালের হজে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয় হওয়া মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা হাজিদের অ্যাকাউন্ট বা ব্যাংক হিসাবে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করা ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজির হিসাবে এই অর্থ সরাসরি পাঠানো হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সৌদিতে বাড়িভাড়া সাশ্রয় এবং সার্বিক সার্ভিস চার্জ বা সেবা মাশুল কমে যাওয়ার কারণেই হজ প্যাকেজের নির্ধারিত অর্থ থেকে এই টাকা উদ্বৃত্ত থেকে যায়। ফেরত প্রদানযোগ্য অর্থের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট হাজিদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল মাধ্যমে পৌঁছে যাবে।
হজ প্যাকেজ ও অবস্থানকৃত আবাসনের ধরন অনুযায়ী হাজিদের ফেরত দেওয়া অর্থের পরিমাণে কিছুটা ভিন্নতা থাকবে:
সাধারণ প্যাকেজ: প্রতি হাজি পাবেন ৩৮,৬৯৭ টাকা ৩২ পয়সা।শর্ট প্যাকেজ: প্রতি হাজি পাবেন ৪৬,৮৮৮ টাকা ৪০ পয়সা। ২ সিট আপগ্রেডেশন: ১,৬৪,১৯০ টাকা ৫৬ পয়সা (শর্ট প্যাকেজ হলে ১,৮০,৫৭২ টাকা ৭১ পয়সা)।
৩ সিট আপগ্রেডেশন: ১,১৮,০৭২ টাকা ৮২ পয়সা (শর্ট প্যাকেজ হলে ১,৩১,৭৩৫ টাকা ৫৩ পয়সা।
হোটেল লুলুয়াত আল ভাওহীদ (বাড়ি-২): সাধারণ প্যাকেজে ২,৫০৫ টাকা ৪৯ পয়সা ও শর্ট প্যাকেজে ৮,৭৩০ টাকা ৭০ পয়সা ফেরত দেওয়া হবে। ২ সিটের আপগ্রেডেশনে সর্বোচ্চ ৭৮,৭১৩ টাকা পর্যন্ত পাবেন হাজিরা।
হোটেল রাওদাত আল শুরূক (বাড়ি-৩): প্যাকেজের ধরনভেদে হাজিরা ৩,৯৭৯ টাকা থেকে ৪৪,১১৯ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন।
হোটেল মানার আল শুরূক (বাড়ি-৪): সাধারণ ও আপগ্রেডেশন ভেদে ৫,৬৭৫ টাকা থেকে ৭,৪১৪ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন।
এই প্যাকেজের আওতায় থাকা প্রতিটি হাজি ৩,৭১৮ টাকা ৯ পয়সা করে ফেরত পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় যে, ২০২৬ সালের হজে আগের বছরের তুলনায় বিমানভাড়া ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছিল। ভবিষ্যতে হজের সার্বিক খরচ আরও সহনীয় রাখতে আগামী ২০২৭ সালের হজে বিমানভাড়া আরও কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।