ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব বাসযোগ্য নগরী রেখে যেতে সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নদী রক্ষায় কেবল সরকারি নির্দেশনার মুখাপেক্ষী না থেকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেও সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়।
সভায় রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে এ পর্যন্ত নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয়, পরিবেশ সুরক্ষায় কেবল নতুন পরিকল্পনা তৈরিই যথেষ্ট নয়, বরং বিদ্যমান রূপরেখাগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করাই আসল চ্যালেঞ্জ।
নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে পলি ও বর্জ্য নিয়মিত অপসারণ এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
নদ-নদীর স্বাভাবিক নাব্যতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে নিবিড় সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। সংস্থাগুলোরক কাজের পৃথকীকরণ ও সমন্বিত পদক্ষেপ ছাড়া নদী কেন্দ্রিক পরিবহন এবং বৃত্তাকার নৌপথের সুফল পাওয়া সম্ভব নয় বলে মত প্রকাশ করা হয়।