দুই সপ্তাহেও হয়নি পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন, খসড়া অর্থ মন্ত্রণালয়েই
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের দুই সপ্তাহ পরও নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হয়নি। আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের অপেক্ষায় খসড়া। পড়ুন বিস্তারিত।
সঞ্চয়পত্রের টাকা প্রাপ্তি আরও সহজ: কাল থেকে চালু হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম
অর্থনীতি: সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম’ (এভিএস) চালু করেছে সরকার। এর ফলে ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়ার কিংবা তহবিল আটকে থাকার বড় ধরনের ঝুঁকি ও ঝামেলা কমে আসবে।
জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যুক্ত এই আধুনিক ব্যবস্থাটি আগামীকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সব তফসিলি ব্যাংকের যৌথ সমন্বয়ে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ‘এসপিএফএমএস’ কর্মসূচির আওতায় চালুকৃত এই প্রক্রিয়ায় সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় গ্রাহকের প্রদান করা ব্যাংক হিসাব তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যাবে:
হিসাব নম্বর দেওয়া মাত্রই বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে হিসাবটি সঠিক ও সচল কি না তা পরীক্ষা করা হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবধারীর সকল তথ্য মিলিয়ে অ্যাকাউন্টটির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।
নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনা ছাড়াও পরবর্তীতে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা যেকোনো সংশোধনের ক্ষেত্রেও এভিএস স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হবে।
এভিএস চালুর তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে দেশব্যাপী কার্যকর।
নিবন্ধিত একক গ্রাহক ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন।
দৈনিক ইএফটি (EFT) লেনদেন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজারটি।
দৈনিক নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু গড়ে প্রায় ৮ হাজারটি।
অটোমেটেড স্কিম সরকারের ১১টি স্কিমের মধ্যে ৯টি অনলাইন সিস্টেমে পরিচালিত।
আগে গ্রাহকের দেওয়া ভুল হিসাব নম্বরের কারণে ইএফটি (EFT) ফেরত আসত এবং তা সংশোধন করে পুনরায় টাকা পাঠাতে গ্রাহক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এমনকি একজনের টাকা ভুল নম্বরের কারণে অন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ও অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এভিএস চালুর ফলে ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য হবে। কোনো ধরনের ভুল বা অসামঞ্জস্য থাকলে লেনদেনের আগেই তা সনাক্ত হবে, ফলে গ্রাহক তাঁর প্রাপ্য অর্থ কোনো বিলম্ব ছাড়াই সময়মতো নিজের সঠিক অ্যাকাউন্টে পাবেন।