গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২ এর পর টেবিলে পড়ে থাকত ব্ল্যাঙ্ক চেক: নওয়াজউদ্দিন
গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’ মুক্তির পর ২০০টি সিনেমার স্ক্রিপ্ট ও ব্ল্যাঙ্ক চেকে অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার স্মৃতিতর্পণ করলেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।
ছয় দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার হলেও অধরা একটি স্বপ্ন: জীবনের ‘গভীর আক্ষেপ’ প্রকাশ করলেন অমিতাভ বচ্চন
বিনোদন: বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন তাঁর দীর্ঘ ছয় দশকের অভিনয়জীবনে সাফল্য ও বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। তবে জীবনের এই পর্যায়ে এসেও প্রবীণ এই মেগাস্টারের মনে রয়ে গেছে এক গভীর আক্ষেপ। আর সেই আক্ষেপ অভিনয় কিংবা সিনেমা কেন্দ্রিক নয়; বরং কোনোদিন একটি বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখতে না পারাই তাঁর জীবনের অন্যতম বড় অনুশোচনা।
জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি’র ১৮তম মৌসুমে (KBC 18) এক প্রতিযোগীর সঙ্গে আলাপচারিতার সময় ৮৪ বছর বয়সি এই কিংবদন্তি অভিনেতা খোলামেলাভাবে নিজের এই অপূর্ণ চাহিদার কথা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে কৃতজ্ঞ নামের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি জীবনের কোনো একটি পুরোনো দিন ফিরে পেতে চান নাকি এমন কোনো নতুন দিনের অভিজ্ঞতা চান যা আগে কখনো পাননি। অমিতাভ দ্বিতীয় বিষয়টি বেছে নিয়ে জানান, তিনি জীবনের সেই দিনটির মুখ দেখতে চান যেদিন তিনি শেষ পর্যন্ত অন্তত একটি বাদ্যযন্ত্র সঠিকভাবে বাজাতে শিখবেন।
“সংগীত শেখার তীব্র ইচ্ছা ছিল আমার, কিন্তু বিভিন্ন ব্যস্ততায় আর শেখা হয়ে ওঠেনি। বড় গায়ক, প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী ও সেতারবাদকদের যখন অসাধারণ পরিবেশন করতে শুনি, তখন নিজের মনে খুব খারাপ লাগে। মনে হয়, আমি কেন সংগীত বা বাদ্যযন্ত্র শিখলাম না! আমার বাড়িতে সম্ভাব্য সব ধরনের বাদ্যযন্ত্রের সংগ্রহ রয়েছে, যেগুলো ফুল-মালা দিয়ে সাজিয়ে রেখেছি এই আশায় যে—একদিন অন্তত এগুলো বাজানো শিখতে পারব।”
গায়ক হিসেবে অভিষেক ১৯৭৯ সালের ‘মিস্টার নটবরলাল’ সিনেমার ‘মেরে পাস আও মেরে দোস্তো’।
জনপ্রিয় কালজয়ী গান ‘রং বরসে’ ও ‘নীলা আসমান’ (সিলসিলা), ‘হোরি খেলি রঘুবীরা’ (বাগবান)।
মিউজিক অ্যালবাম আদনান সামির সাথে যৌথ গান ‘কভি নেহি’ (টেরে চেহরা)।
অন্যান্য গান ‘বোল বচ্চন’, ‘কাহানি’, ‘ওয়াজির’, ‘শমিতাভ’ ও ‘১০২ নট আউট’ সিনেমার গান।
বর্তমান ব্যস্ততা ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি’র ১৮তম মৌসুম উপস্থাপনা।
বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখা না হলেও সংগীতজগতে অমিতাভ বচ্চনের অবদান কিন্তু কম নয়। অভিনয় ক্যারিয়ারেই তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন বেশ কিছু কালজয়ী ও সুপারহিট গানে।
১৯৭৯ সালে ‘মিস্টার নটবরলাল’ ছবির গান দিয়ে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর ‘সিলসিলা’ সিনেমার ‘রং বরসে’ ও ‘নীলা আসমান’ গান দুটি হিন্দি সিনেমা জগতে ধ্রুপদী মর্যাদায় উন্নীত হয়। পরবর্তীতে আদনান সামির সাথে ‘কভি নেহি’ কিংবা ‘বাগবান’ সিনেমার ‘হোরি খেলি রঘুবীরা’ গানগুলোতে তাঁর গম্ভীর ও অনন্য কণ্ঠ দর্শককূলে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে।