দক্ষিণ আফ্রিকায় বাড়িতে বন্দুক হামলা, অন্তঃসত্ত্বাসহ নিহত ১১
দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়ামাখুথা টাউনশিপে বাড়িতে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ ১১ জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি।
আন্তর্জাতিক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সিএনএনের হয়ে সংবাদ সংগ্রহ করায় সাংবাদিক কেটলান কলিন্সকে ভর্ৎসনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ট্রাম্পের সঙ্গে কলিন্সের এ নিয়ে উত্তপ্ত কথোপকথন হয়।
এর কয়েক দিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন সিএনএন, এমএস নাও (MS NOW) ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি বাতিল করে। এরপর ওই তিন সংবাদমাধ্যম প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। তাদের অভিযোগ, সংবাদ পরিবেশনের কারণে প্রবেশাধিকার বাতিল করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
জাতিসংঘে ট্রাম্পের কাছে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কবে শেষ হতে পারে, তা জানতে চান কলিন্স। এ সময় ট্রাম্প সিএনএনের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, তার সম্পর্কে সংবাদ সংগ্রহের জন্য কলিন্সের সেখানে থাকা উচিত নয়।
জবাবে কলিন্স জানান, জাতিসংঘ তাদের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন কভার করার অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ সিএনএনের সাংবাদিক হিসেবে তিনি জাতিসংঘের দেওয়া মিডিয়া পাস নিয়েই সেখানে ছিলেন।
ট্রাম্প এর পরও কলিন্সকে বলেন, তিনি সেখানে থেকে তাকে কভার করতে পারেন না। কলিন্স অবশ্য তার প্রশ্নের প্রসঙ্গ ধরে রাখেন এবং ইরান যুদ্ধের বিষয়ে জানতে চান।
জাতিসংঘে ওই ঘটনার পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কলিন্স ও সিএনএনকে নিয়ে সমালোচনা করেন। কলিন্সকে তিনি ‘তৃতীয় শ্রেণির প্রতিবেদক’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সিএনএনের সংবাদ পরিবেশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
এর আগে ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি এসব সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ‘ফেক নিউজ’ ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন।
হোয়াইট হাউস থেকে প্রবেশাধিকার হারানোর পর সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো যৌথভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলাটি ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালতে করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে থাকা মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ট্রাম্পের সফর কভার করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার কারণে সিএনএনকে হোয়াইট হাউসের টেলিভিশন প্রেস পুলের দায়িত্ব পালন থেকেও বিরত থাকতে হয়েছে। অন্য বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলোও এর প্রতিবাদে প্রেস পুল কভারেজ স্থগিত করে।
এদিকে মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেছেন, আদালত যদি সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষে রায় দেয়, তাহলে তাদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করবেন।