উন্মোচিত হলো সবচেয়ে শক্তিশালী এআই মডেল ‘জেমিনি ৪ আর্গন’
কোডিং, প্রকৌশল ও সাইবার নিরাপত্তায় নতুন বিপ্লব নিয়ে এলো গুগলের সবচেয়ে শক্তিশালী এআই মডেল ‘জেমিনি ৪ আর্গন’।
তথ্যপ্রযুক্তি: অনলাইনে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে জনপ্রিয় বার্তা আদান-প্রদানকারী অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এলো নতুন ‘পেরেন্টাল কন্ট্রোল’ (Parental Control) ব্যবস্থা। বিশ্বজুড়ে অনলাইনে শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষায় বিভিন্ন দেশের সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কড়াকড়ি বাড়ার পর অভিভাবক কেন্দ্রিক এই নতুন ফিচার যুক্ত করল প্রতিষ্ঠানটি।
এই নতুন ফিচারের ফলে সন্তানরা হোয়াটসঅ্যাপে কার সাথে যুক্ত হচ্ছে, কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে এবং অ্যাপটির ব্যবহার কীভাবে করছে—মা-বাবারা তা খুব সহজেই তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হওয়া এই বিশেষ সেটিংসের মাধ্যমে অভিভাবকরা সরাসরি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে দিতে পারবেন।
সন্তানের প্রোফাইল ছবি বা তথ্য কারা দেখতে পারবে এবং তাকে নতুন কোনো গ্রুপে কে যুক্ত করতে পারবে, তা অভিভাবকরা নির্ধারণ করতে পারবেন।
হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ও বিভিন্ন চ্যানেলে সন্তান কী ধরনের কনটেন্ট দেখতে পারবে, তা সীমাবদ্ধ করে দেওয়া যাবে।
সন্তান যেসব গ্রুপে যুক্ত রয়েছে, সেখানে নতুন কোনো সদস্য যুক্ত হলে বা বড় কোনো পরিবর্তন কিংবা কার্যক্রম হলে অভিভাবকের কাছে সরাসরি নোটিফিকেশন চলে যাবে।
হোয়াটসঅ্যাপের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘মেটা এআই’ (Meta AI) ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এই অতিরিক্ত সুরক্ষাবলয় কার্যকর থাকবে।
ব্যবহারের নিয়ম বাধ্যতামূলক নয়; অভিভাবকরা চাইলে সিকিউরিটি পিন (PIN) দিয়ে চালু বা বন্ধ করতে পারবেন।
প্রাইভেসি সুরক্ষা এনড-টু-এনড এনক্রিপশন বজায় থাকবে; মা-বাবারাও সন্তানের ব্যক্তিগত চ্যাট পড়তে বা কল শুনতে পারবেন না।
বিকল্প পদ্ধতি জাতীয় পরিচয়পত্র বা বায়োমেট্রিকের বদলে মা-বাবার হাতেই তদারকির ক্ষমতা প্রদান।
বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা মুখের ছবি নেওয়ার মতো কঠোর নিয়ম চালুর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ায়।
হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢালাওভাবে ব্যবহারকারীদের ওপর সংবেদনশীল তথ্য দিয়ে বয়স যাচাই চাপিয়ে না দিয়ে অভিভাবকদের হাতেই সরাসরি সন্তানের অনলাইন সুরক্ষার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার এই সহজ ও নিরাপদ পথটি বেছে নিয়েছে তারা।
একই সাথে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই তদারকির কারণে হোয়াটসঅ্যাপের ‘এনড-টু-এনড এনক্রিপশন’ ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হবে না। অর্থাৎ মা-বাবারাও সন্তানের ব্যক্তিগত টেক্সট মেসেজ দেখতে কিংবা কল শুনতে পারবেন না।