‘চাঁদাবাজ ও দখলদারদের জায়গা বিএনপিতে নেই’: তারেক রহমান
বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় চাঁদাবাজি, দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
জাতীয়: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের গর্বিত সন্তান হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা। বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উঁচিয়ে ধরে অর্জিত এই গৌরবময় সাফল্যকে সম্মান জানাতে আজ সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদায় উষ্ণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বহু দেশের প্রতিনিধিকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান ছিনিয়ে নেন ঢাকার মারকাজু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামিয়ার শিক্ষার্থী হাফেজ হীরা।
সোমবার সকালে হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরাকে বহনে রাখা বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তাঁকে এক নজর দেখতে এবং বরণ করে নিতে বিমানবন্দরে সমবেত হন শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, বিশিষ্ট আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনায় আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাফেজ হীরাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন:
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা শীর্ষ কর্মকর্তা।
যুগ্মসচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
হাফেজ হীরার সম্মানিত উস্তাদ ও মারকাজু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামিয়ার মুহতামিম।
বিশিষ্ট প্রবীণ আলেম ও শিক্ষাবিদ।
বিজয়ী হাফেজ ➔ হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা।
প্রতিষ্ঠান ➔ মারকাজু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামিয়া, ঢাকা।
প্রতিযোগিতার নাম ➔ ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬।
স্থান ও সময় ➔ কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া (৬ থেকে ১০ অক্টোবর)।
আয়োজক সরকারি সংস্থা ➔ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ।
গত ৬ থেকে ১০ অক্টোবর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতাটি। হাফেজ হীরার এই অসামান্য অর্জন কুরআনের হিফজ ও শুদ্ধ তিলাওয়াতচর্চায় নিয়োজিত হাজারও শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ধন্যবাদ জানিয়ে আলেম-ওলামারা বলেন, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি হাফেজদের নিয়মিত এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে দেশের অভ্যন্তরীণ হিফজ শিক্ষার মান কতটা সুদৃঢ়। সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ১১ অক্টোবরের বিশেষ আদেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এমন সংবর্ধনার আয়োজন ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও নতুন প্রতিভা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।