মনোযোগহীন বা প্রাণহীন নামাজের চেয়ে কি নামাজ একেবারে ছেড়ে দেওয়াই ভালো?
নামাজে মনোযোগ বা খুশু না থাকলে কি নামাজ ছেড়ে দেওয়া উচিত? জেনে নিন কেন মনোযোগহীন নামাজও নামাজ ত্যাগ করার চেয়ে কোটি গুণ উত্তম।
ইসলামি : জন্ম নিলে মৃত্যু অনিবার্য। প্রিয়জনের চিরবিদায়ে মন ভারাক্রান্ত হওয়া এবং চোখে পানি আসা স্বাভাবিক মানবিক প্রক্রিয়া। তবে এই কঠিন মুহূর্তে একজন মুমিন কীভাবে শোক প্রকাশ করবে এবং তাঁর আচরণ কেমন হবে, সে বিষয়ে ইসলাম দিয়েছে সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা।
বিপদে ধৈর্য ধারণ করাই ইসলামের মূল শিক্ষা। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা অনুযায়ী, শোকের মুহূর্তে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করে আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকতে হবে। হাদিসে কুদসিতে রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রিয়জনের মৃত্যুতে যে ধৈর্য ধারণ করে এবং নেকির আশা রাখে, আল্লাহ তাকে জান্নাত দিয়েই সন্তুষ্ট হন। (তিরমিজি)
ইসলামে নিঃশব্দে কান্না করা বা অশ্রু বিসর্জন দেওয়া নিষিদ্ধ নয়। তবে উচ্চস্বরে বিলাপ করা, বুক চাপড়ানো, কাপড় ছিঁড়ে ফেলা বা জাহিলি যুগের মতো চিৎকার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবীজি (সা.) বলেন, “যে শোকে গালে চপেটাঘাত করে বা জামা ছিঁড়ে ফেলে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।” (বুখারি)
মৃতের স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়া সওয়াবের কাজ। শোক প্রকাশে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন আলেমরা:
‘আ’জামাল্লাহু আঝরাকা ওয়া আহসানা আযাআকা ওয়া গফারা লিমায়্যিতিকা।’ অর্থ: ‘আল্লাহ তাআলা তোমার প্রতিদান বাড়িয়ে দিন, তোমাকে উত্তম সান্ত্বনা দিন এবং তোমার মৃতব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিন।’ (আল আযকার)
সাধারণভাবে যে কারো মৃত্যুতে সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত শোক পালন করা যায়। তবে নারীর স্বামী মারা গেলে তাকে চার মাস দশ দিন ‘ইদ্দত’ পালন করতে হয়। এই সময়ে সাজসজ্জা ও বিয়ে পরিহার করে শোকের আবহে থাকতে হয়।
শোকার্ত ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। নবীজি (সা.) বলেছেন, সন্তানহারা মাকে যে সান্ত্বনা দেয়, জান্নাতে তাকে বিশেষ পোশাক পরানো হবে। এছাড়া এতিম ও বিধবাদের সহায়তাকারীকে আল্লাহর পথের মুজাহিদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
নামাজে মনোযোগ বা খুশু না থাকলে কি নামাজ ছেড়ে দেওয়া উচিত? জেনে নিন কেন মনোযোগহীন নামাজও নামাজ ত্যাগ করার চেয়ে কোটি গুণ উত্তম।
হেদায়েত আল্লাহর এক বিশেষ দান। কোরআনের আলোকে হেদায়েত লাভ এবং তার ওপর অবিচল থাকার কার্যকরী উপায়সমূহ নিয়ে বিশেষ জীবনঘনিষ্ঠ প্রতিবেদন।
শারীরিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ইসলামি ইতিহাসে সমাজ ও জ্ঞানের নেতৃত্ব দিয়েছেন বহু মনীষী। জানুন তাঁদের অবদান ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি।
দেশের মসজিদ, মন্দির ও গির্জার সেবকদের জন্য সম্মানী, উৎসব ভাতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রেখে ‘সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ জারি।
বরিশাল চকবাজার জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে ২২ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক শব্দমিছিলে।
জাতীয় ইমাম সমাজ বাংলাদেশ ২০২৬, মাওলানা বেলায়েত হোসাইন আল-ফিরোজী, ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন ৮ সেপ্টেম্বর, ঢাকার থানা কমিটি পুনর্গঠন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ, রোটারিয়ান এম. নাজমুল হাসান কলাম, দৈনিক শব্দমিছিল সম্পাদকীয়
নতুন হিজরি বছর উপলক্ষে কাবা শরিফে নতুন গিলাফ বা কিসওয়া পরানো হয়েছে। ১৫০ জন কারিগরের ১১ মাসের শ্রমে তৈরি এই গিলাফে ব্যবহার করা হয়েছে সোনা ও রুপার প্রলেপ।
কুরবানির মূল চেতনা লুকিয়ে আছে ইসলামের মহান নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর এক অবিস্মরণীয় ত্যাগ ও পরীক্ষার মধ্যে। মহান আল্লাহর নির্দেশে নিজের প্রিয়তম পুত্রকে কুরবানি করার যে চরম সিদ্ধান্ত হযরত ইব্রাহিম (আ.) নিয়েছিলেন, এবং পিতার সিদ্ধান্তে পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) যেভাবে হাসিমুখে আত্মসমর্পণ করেছিলেন—তা পৃথিবীর ইতিহাসে আনুগত্য ও ত্যাগের এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত।
