বাংলা

খানা-খন্দের কারণে খুলনা-মোংলা মহাসড়ক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

বাগেরহাট থেকে আসাদুজ্জামা শেখ সোবহান:
দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়ক খুলনা-মংলা মহাসড়ক। খুলনা-মংলা মহাসড়কের মংলা থেকে রূপসা পর্যন্ত সর্বত্র রয়েছে ছোট-বড় খানা-খন্দ। এ সব খানা-খন্দের কারণে মহাসড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। চলাচলের অনুপযোগী হওয়া সত্ত্বেও সর্বত্র চলছে হাজার হাজার পরিবহন। বাস,ট্রাক,লরি, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট গাড়ি, মোটর সাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইক সহ সব ধরণের যানবাহন চলাচলের একমাত্র সড়ক হওয়ায় জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েই চলছে এসব যানবাহন।

জানা গেছে, বিগত প্রায় ৭/৮ বছর ধরে রাস্তার এ হালদশা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আর বর্ষার মৌসুম এটি আরও করুণ দশায় পরিণত হয়। এ কারণে ভুক্তভোগীর শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন পরিবহনের চালকরা। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিণœ স্থানে রয়েছে এ খানা-খন্দ। বিশেষ করে মহাসড়কের কাটাখালি থেকে ভাগা পর্যন্ত অসংখ্য স্থানে ছোট-বড় খানা। শ্যামবাগাত পুরাতন মাছ কোম্পানীর রাস্তার অবস্থা আরও বেশি খারাপ।

বাস-গাড়ি দ্রুত গতিতে চলাচল করতে পারেনা। একটু অসাবধানতা হলেই ঘটে দুর্ঘটনা। রাস্তা পারাপার অথবা পরিবহন ক্রসিং এর সময় চালকদের খুব বেগ পেতে হয়। বর্ষার সময় গাড়ির আশেপাশে লোকজন থাকলে তাকে কাদামাটি মাখতে হয়। এ ছাড়াও রাস্তার দুইপাশে বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক সংলগ্ন গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। মোংলা দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর।

এ বন্দরে আমদানী-রপ্তানী পণ্যসহ স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা উৎপাদনমুখী ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য স্থল পথে পরিবহন ও যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম মোংলা-খুলনা মহাসড়ক। মহাসড়কটির সড়ক ও জনপথ বিভাগের ২৫ কিলোমিটার এবং ৫ কিলোমিটার মোংলা বন্দরের আওতায়। মহাসড়কের পাশে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হাট। বিদেশ থেকে বিভিণœ গাড়ি ও মালামাল মংলা বন্দরের মাধ্যমে এ সড়ক দিয়েই আনা-নেওয়া নকরতে হয়। আবার পদœা বহুমুখী সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ যানবাহন ঢাকায় যাতায়াতে খুলনা-মংলা মহাসড়ক ব্যবহার করে। নানাবিধ কারণে এ মহাসড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম হলেও কর্তৃপক্ষের কাছে এর গুরুত্ব নিয়ে জনগণের মনে রয়েছে নানান প্রশ্ন।

মহাসড়কের দুর্দশা নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও টিভি নিউজে একাধিকবার নিউজ হলেও মহাসড়কটির কোন উন্নতি হয়নি। সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন সময় সংস্কার করতে দেখা গেলেও তা’ নামমাত্র সংস্কার হয়। সংস্কারের সপ্তাহ-মাস পেরুতে না পেরুতে সেখানেই আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। এলাকাবাসীর অভিমত পরিকল্পিতভাবে সংস্কার না করলে যে কোন সময় আরও বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানান, বর্ষা মৌসুমে এ সমস্যা প্রতিনিয়ত হয়। বিভিন্ন সময় তারা সংস্কার করে আসছে। আর দিগরাজ থেকে মংলা বন্দর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে ।

Related News

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে গুণী শিক্ষক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মাউশির নাম-লোগো ব্যবহার করা ভুয়া ফেসবুক পেজ-গ্রুপ বন্ধে ৭ দিনের সময়

মাউশির নাম, লোগো ও পরিচয় ব্যবহার করে পরিচালিত অননুমোদিত ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ সাত দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুরস্ককে ৪-১ গোলে উড়িয়ে ঘুরে দাঁড়াল ইতালি

উয়েফা নেশনস লিগে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়ে প্রথম ম্যাচের পরাজয় কাটিয়ে উঠেছে ইতালি। গোল করেছেন বাস্তোনি, ফ্রাত্তেসি, কায়োদে ও পিও এসপোসিতো।

ফাইবার অপটিক লাইন কেটে যুক্তরাষ্ট্রে শত শত ফ্লাইট বাতিল

নিউ জার্সিতে নির্মাণকাজের সময় গুরুত্বপূর্ণ ফাইবার অপটিক লাইন কেটে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিমান চলাচলে বড় বিঘ্ন ঘটে। প্রায় ৭ হাজার ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে।

ডেঙ্গুর বিস্তার ও সারা দেশে প্রতিরোধ অভিযান, সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা : রোটারিয়ান এম. নাজমুল হাসান

৬৪ জেলায় ডেঙ্গু বিস্তার ও সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে চূড়ান্ত প্রকোপের আশঙ্কায় সরকারের তিন মাসব্যাপী অভিযানের ওপর বিশেষ সম্পাদকীয়

এসএসসি ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণের ফল আজ প্রকাশ, দেখা যাবে যেভাবে

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল আজ সকাল ১০টায় প্রকাশ। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ৪ লাখ ২ হাজার শিক্ষার্থীর আবেদন।

জলবায়ু পরিবর্তন: উপকূল থেকে অস্তিত্বের শেষ সীমায় বাংলাদেশ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চরম ঝুঁকিতে বাংলাদেশ। উপকূলীয় সংকট, লবণাক্ততা এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে বিশেষ ফিচার লিখেছেন আফরাজুর রহমান লিমন।

লেইস প্রকল্প: ৫৪ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ, মাস্টার ট্রেইনারদের আবেদনের আহ্বান

লেইস প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিকের ৫৪ হাজার শিক্ষককে ৪২ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাস্টার ট্রেইনার হতে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে মাউশি।

Search