দলবদল বিতর্কের পর এবার পেশির চোটে পড়লেন হুলিয়ান আলভারেজ
আতলেতিকো মাদ্রিদে সমর্থকদের দুয়ো ও দলবদল নাটকের পর নতুন করে পেশির চোটে পড়েছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ।
স্পোর্টস: ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৯তম ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রথমার্ধে ফিল ফোডেন সরাসরি লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়ার পরও আর্লিং হালান্ডের একটি অত্যন্ত বিতর্কিত গোলে এই জয় পায় পেপ গুয়ার্দিওলার দল।
এই জয়ের মাধ্যমে চার ম্যাচের সবকটিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সাথে যৌথভাবে অবস্থান নিশ্চিত করল সিটি। তবে ম্যাচটি সিটির জয়ের চেয়েও বেশি চর্চায় এসেছে মাঠের দুই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত—ফোডেনের লাল কার্ড ও হালান্ডের বিতর্কিত গোলের কারণে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে একটি বলকে কেন্দ্র করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফের্নান্দেজ ও সিটির মিডফিল্ডার ফিল ফোডেনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ব্রুনো বল দিয়ে ফোডেনের পেটে আঘাত করার পর ফোডেন পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে পর্তুগিজ তারকাকে লাথি মারেন।
ভিএআর (VAR) পরীক্ষা শেষে ফোডেনকে সহিংস আচরণের জন্য সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। যদিও ব্রুনোর প্ররোচনা ও তাকে লাল কার্ড না দেওয়া নিয়ে ম্যাচ জুড়ে বিতর্ক বহাল থাকে। ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হালান্ডের মতো মহাতারকা থাকায় সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেনি সিটির আক্রমণভাগ।
ভেন্যু ও ম্যাচ ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, ম্যানচেস্টার প্রিমিয়ার লিগ ডার্বি।
ফলাফল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ০ – ১ ম্যানচেস্টার সিটি।
লাল কার্ড ফিল ফোডেন (প্রথমার্ধে সরাসরি লাল কার্ড)।
য়সূচক গোল আর্লিং হালান্ড (অফসাইড বিতর্কের মুখে অনুমোদিত)।
লিগ অবস্থান চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনালের সাথে যৌথভাবে শীর্ষে সিটি।
ম্যাচের জয়সূচক গোলটি করার সময় পিছনের পোস্টে বল পেয়ে জালে জড়ান আর্লিং হালান্ড। সেমি-অটোমেটেড প্রযুক্তিতে হালান্ড অনসাইড হলেও একই ক্রসে সিটির এনজো ফের্নান্দেজ স্পষ্ট অফসাইড অবস্থানে থেকে খেলায় সরাসরি প্রভাব ফেলছিলেন।
আইন অনুযায়ী বল স্পর্শ না করলেও খেলায় প্রভাব ফেললে অফসাইড ধরা আবশ্যক। কিন্তু ভিএআর গোলটি বহাল রাখে। ম্যাচ শেষের তিন ঘণ্টা পর রেফারিদের শীর্ষ সংস্থা ‘প্রো রেফ’ (PRO Ref) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয় যে, সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল এবং গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল।
ইউনাইটেডের মার্কাস র্যাশফোর্ড ও কোবি মাইনু দুজনের শটই পোস্টে লেগে ফেরত আসে। শেষ মুহূর্তে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার দুর্দান্ত সেভ সিটির জয় নিশ্চিত করে। একজন বাড়তি খেলোয়াড় থাকার সুবিধা পেয়েও ঘরের মাঠে সিটিকে না হারাতে পারায় হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে ইউনাইটেড শিবিরে।