রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক, কানসেলোর জোড়া গোল বার্সার ৭-২ গোল উৎসব
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক ও জোয়াও কানসেলোর জোড়া গোলে রাসিং সান্তান্দারকে ৭-২ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। লা লিগায় টানা ছয় ম্যাচ জিতে দারুণ শুরু করেছে হানসি ফ্লিকের দল।
ক্রীড়া: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম ও ১২তম আসর ঘিরে ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে আরও দুই কর্মকর্তার নাম এসেছে। অভিযোগের পর তাঁদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ও মো. আমিন খান। তাঁদের বিরুদ্ধে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোড ফর পার্টিসিপ্যান্টসের একাধিক ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ বিপিএলের ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক ছিলেন। অন্যদিকে আমিন খান বিপিএলের ১১তম আসরে দুর্বার রাজশাহী এবং ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম অফিসিয়াল (অপারেশন-ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিসিবি জানিয়েছে, বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা সংশ্লিষ্ট তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে না জানানো, অ্যান্টি-করাপশন তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগ।
আব্দুল কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
এসব ধারার আওতায় ম্যাচের ফলাফল বা গতিপ্রকৃতি অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাব সম্পর্কে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে অবহিত না করা এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার মতো অভিযোগ রয়েছে।
মো. আমিন খানের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
তাঁর বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা, অ্যান্টি-করাপশন তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট প্রমাণ নষ্ট করা বা তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি। বিসিবির প্রক্রিয়া অনুযায়ী, দুই অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
বিপিএলের দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন বিভাগ আগে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা জানিয়েছিল। নতুন করে রাশেদ ও আমিন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ যুক্ত হওয়ায় বিপিএলের সাম্প্রতিক দুই আসর ঘিরে দুর্নীতিবিরোধী তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হলো।
চূড়ান্তভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা অভিযোগের জবাব ও পরবর্তী তদন্তপ্রক্রিয়ার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।