রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক, কানসেলোর জোড়া গোল বার্সার ৭-২ গোল উৎসব
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক ও জোয়াও কানসেলোর জোড়া গোলে রাসিং সান্তান্দারকে ৭-২ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। লা লিগায় টানা ছয় ম্যাচ জিতে দারুণ শুরু করেছে হানসি ফ্লিকের দল।
ক্রীড়া: ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে বিতর্কিত গোলে হারের হতাশা কাটতে না কাটতেই আরেকটি ধাক্কা খেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এবার কারাবাও কাপ থেকে বিদায় নিতে হলো রেড ডেভিলদের। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ব্রাইটনের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকরা।
টানা হতাশাজনক ফলাফলে ইউনাইটেড কোচ মাইকেল ক্যারিকের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও চার ম্যাচে মাত্র একটি জয় ও একটি ড্র নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১৩তম স্থানে রয়েছে দলটি। তিন দিন আগে ১০ জনের ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের পর নিজেদের মাঠেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ইউনাইটেড। বরং নিজেদের ভুলেই হাতছাড়া করেছে জয়ের সম্ভাবনা।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য স্বাগতিকদের জন্য ছিল স্বপ্নের মতো। একাডেমি থেকে উঠে আসা শিয়া লেসি প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েই গোল করে ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেন। গোলের পর ক্লাবের ব্যাজে চুমু দিয়ে উদযাপন করেন তরুণ এই ফুটবলার।
১০ মিনিটের মাথায় মেসন মাউন্ট গোল করে ইউনাইটেডের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তবে ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে চারালামপোস কোস্তুলাস গোল করে ব্রাইটনকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাইটন। ইউনাইটেডের রক্ষণে একের পর এক চাপ তৈরি করতে থাকে তারা। সেই চাপের ফলও আসে দ্রুত। পাসকাল গ্রস গোল করে ব্রাইটনকে সমতায় ফেরান।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় সফরকারীরা। শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড় ম্যাক্সিম দে কুইপার গোল ব্রাইটনকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়।
শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ইউনাইটেড। ফলে নিজেদের মাঠে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে কারাবাও কাপ থেকে বিদায় নিতে হলো তাদের।
প্রিমিয়ার লিগ যুগে, অর্থাৎ ১৯৯২-৯৩ মৌসুমের পর থেকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দুই গোলের লিড নেওয়ার পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে হারের মুখ দেখল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
এর আগে ১৯৭৬ সালে টটেনহ্যামের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে হারের ম্যাচে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল ক্লাবটি।
ব্রাইটনের জয়সূচক গোলের পর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু হয় সমর্থকদের অসন্তোষ। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে সেই ক্ষোভ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত মৌসুমে গ্রিমসবির কাছে হারের পর এবারও কারাবাও কাপে হতাশাজনক বিদায় নিতে হলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে।