রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পর্যটকবাহী নৌযানগুলোতে নিরাপত্তার বালাই নেই। বিআইডব্লিউটিএর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে দ্বিতল নৌযান, নেই পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেটও। সরেজমিনে দেখা গেছে, ৪৩ জন পর্যটক নিয়ে চলা নৌযানে লাইফ জ্যাকেট আছে মাত্র ৮টি। আবার অন্য একটি নৌযানে ৪৮ জন যাত্রীর বিপরীতে জ্যাকেট মিলেছে মাত্র ৬টি। চালকদের দাবি, পর্যটকরা জ্যাকেট পরতে চান না বলে তারা নতুন করে জ্যাকেট কিনছেন না।

এই অব্যবস্থাপনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটকরা। বারবার দুর্ঘটনা ঘটলেও টনক নড়ছে না মালিকদের। গত বৃহস্পতিবার ১৯ জন যাত্রী নিয়ে একটি বোট ডুবলেও ভাগ্যক্রমে কেউ মারা যাননি। তবে ২০১৪, ২০২০ এবং ২০২৩ সালে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় বহু পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর সার্ভিস সুপারভাইজার আকবর হোসেন জানান, আইনের তোয়াক্কা না করে অনেকেই নিবন্ধন ছাড়াই দোতলা নৌযান চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত ৭০-৭৫টি মামলা করা হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
সুজন রাঙামাটির জেলা সম্পাদক এম জিসান বখতেয়ার বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে নীতিমালার বিষয়ে কঠোর হতে হবে। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাবে।