ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন: চার সিঁড়িতে তালা
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের সময় পাঁচটি সিঁড়ির চারটিতে তালা ছিল। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, এতে আতঙ্ক ও ভোগান্তি বেড়ে যায়।
ঢাকা: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাত আসামিই পলাতক।
রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খানের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার ও আহতদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়।
এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর প্রায় ১০ মাস পর দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মামলায় রায় হলো।
প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় এটি ট্রাইব্যুনালের সপ্তম রায়। দুটি ট্রাইব্যুনালের সাতটি রায়ে মোট ৬৮ আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন পলাতক এবং চারজন কারাগারে রয়েছেন।
ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনটি কাউন্ট আনা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই বিকেলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের মুঠোফোনে কথোপকথন হয়। সেখানে আন্দোলন দমনের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
১৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের সময় ওবায়দুল কাদের উপস্থিত থেকে অপরাধ সংঘটনে সমর্থন ও প্ররোচনা দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরদিন ১৫ জুলাই ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, এসব বক্তব্যের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ অনুযায়ী, ১৬ জুলাই তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে ফোন করে ইন্টারনেটের গতি কমানোর নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। একই দিনে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে ফোন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওবায়দুল কাদেরের বিভিন্ন নির্দেশ ও বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড ঘটে।
১৭ জুলাই তেজগাঁওয়ের দলীয় কার্যালয়ে এবং ১৮ জুলাই ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের আন্দোলন প্রতিহত করার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১৯ জুলাই গণভবনে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতাদের বৈঠকের পর কারফিউ ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রসঙ্গে ‘শুট অ্যাট সাইট’ বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়ার বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এ ছাড়া আন্দোলন দমনের জন্য বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে অপহরণ, গুম, হত্যা ও নির্যাতনের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
তৃতীয় কাউন্টে বলা হয়েছে, ৩ আগস্ট ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের পাড়া-মহল্লায় অবস্থান নিয়ে আন্দোলন প্রতিহত করার নির্দেশ দেন।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের ফলে সারা দেশে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি আন্দোলনকারী নিহত এবং ২৫ হাজারের বেশি মানুষ গুরুতর আহত হন।
বাহাউদ্দিন নাছিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৫ জুলাই ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদেরের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বাহাউদ্দিন নাছিম আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনে সমর্থন ও প্ররোচনা দেন।
অভিযোগে তাঁর নিজ জেলা মাদারীপুরে আন্দোলন দমনের বিষয়েও তদারকির অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে ১৮ ও ১৯ জুলাই আন্দোলনকারীদের হত্যা এবং অসংখ্য মানুষকে আহত করার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
৪ আগস্ট রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আন্দোলনকারীদের নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে নাছিমের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর প্ররোচনা ও ভূমিকার সম্পর্ক থাকার কথা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মোহাম্মদ আলী আরাফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৩ জুলাই তেজগাঁওয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কোটা আন্দোলন নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন তিনি। পরদিন গণভবনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যকে সমর্থন ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
১৯ জুলাই এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আন্দোলনকারীদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অস্ত্র-গুলির মজুত নিয়ে হুমকিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনের সময় সহিংসতার সংবাদ প্রচার করায় কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন আরাফাত।
৪ আগস্ট সংসদ ভবন এলাকায় প্রেস ব্রিফিংয়ে আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।
শেখ ফজলে শামস পরশের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, শেখ ফজলে শামস পরশ শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনা অনুযায়ী আন্দোলন নস্যাৎ করতে তাঁর নিয়ন্ত্রিত যুবলীগকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালান। ১৮ জুলাই চট্টগ্রাম মহানগর এবং ১৯ জুলাই রাজধানীর মহাখালী এলাকায় কয়েকজন আন্দোলনকারী নিহত হওয়ার ঘটনাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য এবং ৪ আগস্ট লক্ষ্মীপুরে ও ৫ আগস্ট রাজশাহীতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের ভূমিকার কথাও আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মাইনুল হোসেন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ১২ জুলাই সিলেট সিটি করপোরেশনের একটি অনুষ্ঠানে আন্দোলনকারীদের কটাক্ষ করেন মাইনুল হোসেন খান এবং আন্দোলন প্রতিহত করতে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন।
১৯ জুলাই মিরপুর এলাকায় অস্ত্র হাতে মহড়া ও আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই দিন মিরপুরে কয়েকজনকে হত্যার ঘটনাতেও তাঁর নেতৃত্ব ও নির্দেশনার কথা অভিযোগে বলা হয়েছে।
৪ ও ৫ আগস্ট মিরপুরে আরও কয়েকজন আন্দোলনকারী হত্যার ঘটনায় তাঁর উপস্থিতি ও তত্ত্বাবধানের অভিযোগ করা হয়েছে।
সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
অভিযোগে বলা হয়েছে, ১১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ছাত্রলীগের এক সমাবেশে আন্দোলনকারীদের হুমকি দেন সাদ্দাম হোসেন।
ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশ বাস্তবায়নে সারা দেশে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হামলার জন্য প্ররোচনা ও নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
১৫ জুলাই তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয় বলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৬ জুলাই আন্দোলনকারীদের ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেওয়ার পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগও করা হয়।
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনে শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বিভিন্ন পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও অর্থসংক্রান্ত কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
১৩ জুলাই মধুর ক্যানটিনে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে হিংসাত্মক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলন প্রতিহত করতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
১৬ জুলাই রাজু ভাস্কর্যে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্যকে সমর্থন এবং পরবর্তী সময়ে আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলা ও তৎপরতায় নির্দেশনা ও তদারকির অভিযোগ আনা হয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একের পর এক মামলার রায় হচ্ছে। সর্বশেষ রায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি পাঁচ আসামির সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী, বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার ও আহতদের ক্ষতিপূরণে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।