প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন
বুধবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ঢাকা: দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তির ৫০ কোটি টাকা ছাড় করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় এসব পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় পৌরসভাগুলোর জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর প্রথম কিস্তি হিসেবে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা ছাড় করা হচ্ছে।
ছাড় করা অর্থ ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-দ্বিতীয় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে দেওয়া হবে।
বরাদ্দের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন পৌরসভা রয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বরাদ্দের অর্থ কেবল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করা যাবে। এর আওতায় প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ রোগের চিকিৎসা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনাসংক্রান্ত ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে।
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, বরাদ্দের অর্থের কোনো অংশ অব্যয়িত থাকলে ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার এবং হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সরকারের এ বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান হবে।