মা হওয়ার পর বদলেছে সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনা, জানালেন ক্যাটরিনা
মাতৃত্বের পর ত্বক ও সৌন্দর্য নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। গুরুত্ব দিচ্ছেন স্কিন ব্যারিয়ার, সুস্থতা ও আত্মবিশ্বাসে।
বিনোদন: অভিনেত্রী হিসেবে বলিউডে অভিষেকের প্রায় এক দশক পর প্রযোজনায় নাম লেখান দিয়া মির্জা। তবে প্রযোজক হিসেবে প্রথম সিনেমা নির্মাণের পথ তাঁর জন্য মোটেও সহজ ছিল না। নিজের প্রথম কেনা বাড়ি বন্ধক রেখে এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ‘ববি জাসুস’ সিনেমার প্রযোজনায় নেমেছিলেন এই অভিনেত্রী।
২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় দিয়া মির্জার। এরপর অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাতেও যুক্ত হন তিনি। ২০১৪ সালে নারীপ্রধান গল্পের ‘ববি জাসুস’ নির্মাণের উদ্যোগ নেন।
সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য রাজি হয়েছিলেন বিদ্যা বালান। গল্প ও অভিনয়শিল্পী—সবকিছু ঠিকঠাক এগোলেও শুটিং শুরুর ঠিক আগে সিনেমাটির সব বিনিয়োগকারী সরে দাঁড়ান। ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে পুরো প্রকল্প।
বিনিয়োগকারীরা সরে যাওয়ার পরও সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি দিয়া। শেষ পর্যন্ত নিজের প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখে ব্যাংকঋণ নিয়ে সিনেমাটির কাজ শুরু করেন তিনি।
তবে মুক্তির পর ‘ববি জাসুস’ বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেও সিনেমাটি নিজের পছন্দমতো নির্মাণ করতে পেরে সন্তুষ্ট ছিলেন দিয়া।
পরবর্তী সময়ে নিজের কাজ থেকে আয় করে ধীরে ধীরে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করেন তিনি। একপর্যায়ে বন্ধক রাখা বাড়িটিও ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হন এই অভিনেত্রী।
প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর নারী হওয়ার কারণে তাঁকে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন দিয়া মির্জা। এমনকি প্রযোজনায় আসার পর অভিনয়ের কাজ পেতেও তাঁকে আগের তুলনায় বেশি সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল বলে জানান তিনি।
দিয়ার ভাষ্য, একই ধরনের কাজ কোনো পুরুষ অভিনেতা করলে তিনি যে ধরনের পারিশ্রমিক ও সম্মান পেতেন, নারী অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও সেই সম্মান ও মূল্যায়ন থাকা উচিত।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দিয়া বলেন, ‘আমি আমার প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখেছিলাম। যে গল্পটা বলতে চেয়েছিলাম, সেটি লেখা হয়ে গিয়েছিল। বিদ্যা বালানের মতো অসাধারণ একজন শিল্পী আমার সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি হয়েছিলেন। একটা টিমও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বিনিয়োগকারীরা সরে গেলেন।’
প্রতিকূলতার মধ্যেও সিনেমাটির কাজ শেষ করেছিলেন দিয়া। বক্স অফিসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না এলেও ‘ববি জাসুস’ তাঁর প্রযোজকজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হয়ে রয়েছে।