পদ্মা সেতুর কাছে ৬ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট বালু তুলতে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের তোড়জোড়
পদ্মা সেতুর ভাটিতে ১২৮ একর এলাকা থেকে ৬ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুটের বেশি বালু তুলতে ‘আইকনিক সোর্সিং’-এর আবেদন। ঠিকানায় প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব না মেলায় উঠেছে প্রশ্ন।
জাতীয়: জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থলে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকের তথ্য জানান।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমি মিয়ানমারে সম্মানজনকভাবে ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
এর আগে একই দিনে জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সফরের কর্মসূচিতে রোহিঙ্গা সংকটকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-আয়োজনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: আ রিনিউড কল ফর আ ডিউরেবল সলিউশন ফ্রম প্রোট্র্যাক্টেড ডিসপ্লেসমেন্ট, উইথ জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি’ শীর্ষক এ আয়োজন বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া যৌথভাবে আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এতে সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে।
এ আয়োজনের লক্ষ্য রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও মানবিক সহযোগিতা জোরদার করা, জবাবদিহির উদ্যোগকে সমর্থন করা এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সমর্থন বাড়ানো।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর প্রথম ভাষণ দেবেন।