আইনজীবীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: এমপি শাহাদাত সেলিম
আইনজীবীদের নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের এমপি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এক আইনজীবী।
রাজনীতি: অনিয়ম, স্থানীয় বিতর্ক ও সরকারি হাসপাতালের সচ্ছলতা বিনষ্টের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তাঁর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে অনতিবিলম্বে এমপি পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে ‘রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে’ (মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) হামলা ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার পরপরই সংরক্ষিত আসনের এই নারী এমপির ভূমিকা ও দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ভাঙচুরের অভিযোগ: গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুরের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একদল সন্ত্রাসী তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালায়। স্থানীয় ওই এলাকার সংসদ সদস্য হওয়ায় এই ঘটনার নেপথ্যে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ও তাঁর অনুসারীদের সরাসরি সম্পৃক্ততার গুরুতর অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অস্বীকার: যদিও ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পরবর্তীতে হামলার সাথে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছিলেন, তবে প্রশাসনিক ও দলীয় তদন্তে স্থানীয় নেতাকর্মীদের অসদাচরণের আলামত মেলে।
পদত্যাগকারী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি (সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি, বিএনপি)।
নির্দেশদাতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল)।
পদত্যাগপত্র জমা স্পিকারের নিকট (১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর)।
প্রধান অনুঘটক ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুরের রাড্ডা মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভাঙচুর ও স্থানীয় বিতর্ক।
অন্যান্য অভিযোগ ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালীন জমি দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির পুরনো অভিযোগ।
সংরক্ষিত আসনের এমপি হওয়ার পর থেকেই ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। তিনি পূর্বে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী তৎপরতা পরিচালনা ও স্থানীয় জমি দখলের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল।
দলীয় হাইকমান্ড সূত্রে জানা গেছে, সরকার ও বিএনপির ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা, যেকোনো ধরনের অন্যায় ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।