ভিপি নুরের নাম ভাঙিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবির অডিও ভাইরাল
ভিপি নুরের নির্দেশের কথা বলে ৫ লাখ টাকা দাবির অডিও ভাইরাল হওয়ায় লক্ষ্মীপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদ সভাপতি ফারুক হোসেনকে বহিষ্কার ও আটক করেছে পুলিশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক,
চট্টগ্রামের রাজনীতির মাঠে তৃণমূল থেকে বেড়ে ওঠা এক সংগ্রামী, ত্যাগী ও পরিশ্রমী নারী নেত্রীর নাম আফরোজা বেগম জলি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি প্রমাণ করেছেন, সততা, সাহস ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকলে তৃণমূল থেকেও নেতৃত্বের শীর্ষে ওঠা সম্ভব।
রাজনীতির শুরুটা তৃণমূল থেকেই:
আফরোজা বেগম জলির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় একেবারে তৃণমূল থেকে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হিসেবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি জনসেবার যাত্রা শুরু করেন। মেম্বার থাকাকালীন সময়ে এলাকার রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, নারীদের কর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নে তার সক্রিয় ভূমিকা তাকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। তার এই জনপ্রিয়তাই পরবর্তীতে তাকে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হতে সহায়তা করে। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নারী ও শিশুদের অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
দলের দুঃসময়ের কান্ডারি:
বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা দল এবং চট্টগ্রাম মহানগর জাসাসের একজন সক্রিয় ও প্রথম সারির নেত্রী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এই নেত্রী দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন, তখনও আফরোজা বেগম জলি মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন, তাদের সাহস যুগিয়েছেন। এ কারণে তৃণমূলের কর্মীদের কাছে তিনি ‘ত্যাগী নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত।
আদর্শ মা ও মহিয়সী নারী:
ব্যক্তি জীবনে আফরোজা বেগম জলি শুধু একজন সফল রাজনীতিবিদই নন, তিনি একজন আদর্শ মা। চার সন্তানের জননী এই নেত্রী রাজনীতির ব্যস্ততা সামলেও সন্তানদের সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন। তার সন্তানরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবদান রাখছে। একজন মা হিসেবে সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সেবা করা – দুটি দায়িত্বই তিনি সমান দক্ষতায় পালন করে চলেছেন।
মানুষের ভাবনা
স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, “জলি আপা কখনো ক্ষমতার দাপট দেখাননি। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের মতোই চলাফেরা করেন। যে কোনো বিপদে-আপদে তাকে পাশে পাওয়া যায়।” তার এই বিনয়ী আচরণ এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আফরোজা বেগম জলির মতো তৃণমূল থেকে উঠে আসা নারী নেতৃত্বই আগামী দিনে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নারীর ক্ষমতায়নে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে