সেন্টমার্টিনে ফ্রি খতনার পর অর্ধশতাধিক শিশুর ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ, টেকনাফে রেফার
সেন্টমার্টিনে ফ্রি সুন্নতে খতনা করানোর পর ভুল চিকিৎসায় অর্ধশতাধিক শিশুর ক্ষতস্থানে ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ দেখা দিয়েছে। গুরুতর অবস্থায় দুজনকে টেকনাফ পাঠানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য: হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। এছাড়া আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, নতুন সরকারের নেতৃত্বে সেগুলোর সফল মোকাবিলায় কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের কোটি কোটি মানুষের চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে জনগণের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক (প্রিভেন্টিভ) কর্মসূচির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা অত্যন্ত প্রশংসনীয় সহযোগিতা করে চলেছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৫ দিন পর থেকে সরকারের শুরু করা লড়াইয়ের দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টাতেই সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে এই জীবন রক্ষাকারী টিকাদানের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
তবে দুই কোটি শিশুকে টিকা দিয়েই সরকার থেমে থাকছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রতিটি শিশুর জীবন মূল্যবান। একটি শিশুও যেন এই টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ কারণেই এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।”
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের দূরবর্তী বা প্রান্তিক এলাকার শিশু, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) শিশু এবং পূর্ববর্তী ধাপের কোনো কর্মসূচি থেকে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিটি শিশুর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে তাদের স্বাস্থ্যনিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।