বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন: ১২ জুন মেটার সার্ভারে বড় বিপর্যয়, ভোগান্তিতে লাখ লাখ ব্যবহারকারী
বিশ্বব্যাপী ফেসবুকের সার্ভারে বড় ধরনের কারিগরি বিভ্রাট। ১২ জুন বিকেল থেকে লগ-ইন ও ফিড রিফ্রেশে সমস্যা। ইজডাউন ও ইনিল্যাড-এর তথ্যসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন।
কল্পবিজ্ঞানকেও হার মানাল বাস্তব। জলবায়ু পরিবর্তন আর জ্বালানি সংকটে জর্জরিত বর্তমান বিশ্বকে বাঁচাতে এবার সরাসরি মহাকাশ থেকে বিদ্যুৎ আনার ঐতিহাসিক প্রযুক্তি সফলভাবে পরীক্ষা করেছে বিজ্ঞানীরা। আর কোনো কয়লা, গ্যাস বা তেলের ওপর নির্ভরতা নয়—এবার দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সবুজ শক্তি মিলবে সরাসরি সূর্য থেকে, যা বদলে দেবে আমাদের চেনা পৃথিবীর চাক্ষুষ রূপ।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি যৌথ দল পৃথিবীর কক্ষপথে বিশেষ ধরণের ‘সোলার পাওয়ার স্যাটেলাইট’ বা সৌর বিদ্যুৎ উপগ্রহ স্থাপন করেছে। এই উপগ্রহগুলো মহাকাশে বিশাল আকৃতির আয়নার সাহায্যে কোনো মেঘ, বৃষ্টি বা রাতের অন্ধকার ছাড়াই অবিরাম সূর্যালোক সংগ্রহ করবে। এরপর সেই সংগৃহীত শক্তিকে ‘মাইক্রোওয়েভ বিম’ বা অদৃশ্য তরঙ্গে রূপান্তরিত করে সরাসরি পৃথিবীতে অবস্থিত রিসিভিং স্টেশনে পাঠানো হবে।
সেখান থেকে এই তরঙ্গ নিমেষেই সাধারণ বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়ে যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।
২৪ ঘণ্টার সূর্যলোক: পৃথিবীতে রাত হলেও মহাকাশে সূর্য কখনো ডোবে না। ফলে এই প্রযুক্তিতে কোনো পাওয়ার স্টোরেজ বা ব্যাটারির ঝামেলা ছাড়াই অবিরাম বিদ্যুৎ মিলবে।
শূন্য কার্বন নিঃসরণ: এই প্রক্রিয়ায় কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয় না। ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসে এটি হবে পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
দুর্গম অঞ্চলেও আলো: কোনো তার বা খুঁটি ছাড়াই পৃথিবীর যেকোনো দুর্গম দ্বীপ, মরুভূমি বা দুর্যোগকবলিত এলাকায় সরাসরি মহাকাশ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এই প্রযুক্তির একমাত্র চ্যালেঞ্জ ছিল মহাকাশ থেকে পাঠানো তরঙ্গের নিরাপত্তা এবং বিপুল নির্মাণ খরচ। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের (Reusable Rockets) কল্যাণে এখন মহাকাশ ভ্রমণ ও যন্ত্রাংশ পাঠানোর খরচ প্রায় ৯০% কমে এসেছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে এই বিদ্যুৎ বাণিজ্যিকভাবে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
“আমরা এতদিন পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে সূর্যের আলো খুঁজেছি। এখন সময় এসেছে মহাকাশেই সূর্যের মুখোমুখি হওয়ার। এটি কেবল একটি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার নয়, এটি মানব সভ্যতার টিকে থাকার নতুন চাবিকাঠি।” — ড. এলিসা মার্টিন, প্রধান গবেষক, গ্লোবাল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ।
বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তিগুলো ইতিমধ্যেই এই ‘স্পেস সোলার প্রজেক্ট’-এ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ শুরু করেছে। খুব শিগগিরই হয়তো তেলের খনি বা গ্যাস সিলিন্ডারের দিন ফুরিয়ে আসছে, আর পৃথিবী প্রবেশ করতে যাচ্ছে এক সম্পূর্ণ নতুন ‘মহাজাগতিক জ্বালানি’র যুগে।