ইসলামে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মর্যাদা ও ইতিহাস
শারীরিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ইসলামি ইতিহাসে সমাজ ও জ্ঞানের নেতৃত্ব দিয়েছেন বহু মনীষী। জানুন তাঁদের অবদান ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি।
ইসলাম: হেদায়েত আল্লাহ তাআলার এক বিশেষ দান, যা অর্জনের জন্য মানুষকে আত্মিক ও বাস্তব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়। যে অন্তর সততা, খোদাভীতি ও বিনয় নিয়ে কোরআনের মুখোমুখি হয়, শুধু সে অন্তরই হেদায়েতের আলোয় উদ্ভাসিত হতে পারে। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে মানবকুল, তোমাদের কাছে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে এসেছে উপদেশ এবং অন্তরের রোগব্যাধির নিরাময়, আর মুমিনদের জন্য হেদায়েত ও রহমত।’ (সুরা ইউনুস, আয়াত: ৫৭)
কোরআনের আলোয় জীবন আলোকিত করতে হলে হৃদয়ের জমিনকে উপযুক্ত করতে হবে। এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে—
খোদাভীতি বা তাকওয়া: কোরআনের হেদায়েত লাভের প্রধান শর্ত হলো অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত রাখা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এটি সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকিদের জন্য হেদায়েত।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২)
কোরআন অনুধাবনের চেষ্টা: কেবল তোতাপাখির মতো পাঠ না করে কোরআনের প্রতিটি আয়াত নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তবে কি তারা কোরআন নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত: ২৪)
সত্য গ্রহণের ব্যাকুলতা: সত্য অনুসন্ধানে যে ব্যক্তি বিনয়ী হয়, আল্লাহ নিজ দায়িত্বে তাকে পথ দেখান। এ বিষয়ে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, ‘আর যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, আমি অবশ্যই তাদের আমার পথে পরিচালিত করি।’ (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৬৯)
হেদায়েতের ওপর অবিচল থাকার ৩ করণীয়:
হেদায়েত লাভ করার চেয়ে তার ওপর অবিচল থাকা আরও বেশি চ্যালেঞ্জের। এই পথে অটল থাকার জন্য তিনটি আমল অত্যন্ত জরুরি:
১. আল্লাহর নির্দেশ মেনে আমল করা: কোরআনে বর্ণিত আল্লাহর নির্দেশাবলি বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করলে আল্লাহ হেদায়েত আরও বাড়িয়ে দেন।
২. একনিষ্ঠ চিত্তে প্রার্থনা করা: হেদায়েতের ওপর অবিচল থাকতে বিনম্র চিত্তে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। কোরআনে মুমিনদের শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক, সরল পথ দেখানোর পর আপনি আমাদের অন্তরকে সত্যচ্যুত করবেন না।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮)
৩. নেককার মানুষের সাহচর্য: অসৎ সঙ্গ বর্জন করে সৎ মানুষের সান্নিধ্য মানুষকে সঠিক পথে রাখতে সাহায্য করে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘সৎ সঙ্গী ও অসৎ সঙ্গীর উদাহরণ মেশক বিক্রেতা ও কর্মকারের হাপরের ন্যায়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২১০১)
শারীরিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ইসলামি ইতিহাসে সমাজ ও জ্ঞানের নেতৃত্ব দিয়েছেন বহু মনীষী। জানুন তাঁদের অবদান ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি।
দেশের মসজিদ, মন্দির ও গির্জার সেবকদের জন্য সম্মানী, উৎসব ভাতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রেখে ‘সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ জারি।
বরিশাল চকবাজার জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে ২২ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক শব্দমিছিলে।
জাতীয় ইমাম সমাজ বাংলাদেশ ২০২৬, মাওলানা বেলায়েত হোসাইন আল-ফিরোজী, ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন ৮ সেপ্টেম্বর, ঢাকার থানা কমিটি পুনর্গঠন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ, রোটারিয়ান এম. নাজমুল হাসান কলাম, দৈনিক শব্দমিছিল সম্পাদকীয়
নতুন হিজরি বছর উপলক্ষে কাবা শরিফে নতুন গিলাফ বা কিসওয়া পরানো হয়েছে। ১৫০ জন কারিগরের ১১ মাসের শ্রমে তৈরি এই গিলাফে ব্যবহার করা হয়েছে সোনা ও রুপার প্রলেপ।
কুরবানির মূল চেতনা লুকিয়ে আছে ইসলামের মহান নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর এক অবিস্মরণীয় ত্যাগ ও পরীক্ষার মধ্যে। মহান আল্লাহর নির্দেশে নিজের প্রিয়তম পুত্রকে কুরবানি করার যে চরম সিদ্ধান্ত হযরত ইব্রাহিম (আ.) নিয়েছিলেন, এবং পিতার সিদ্ধান্তে পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) যেভাবে হাসিমুখে আত্মসমর্পণ করেছিলেন—তা পৃথিবীর ইতিহাসে আনুগত্য ও ত্যাগের এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত।
৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশেষ দোয়া ও ওয়াজ মাহফিলের সময়সূচি।
রমজানে ওমরাহ পালনের খরচ দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বাড়তে পারে। ওমরাহ ভিসার শেষ সময় ১৭ মার্চ। বিস্তারিত ওমরাহ প্যাকেজ ও হোটেল ভাড়ার তথ্য জানুন।
