গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২ এর পর টেবিলে পড়ে থাকত ব্ল্যাঙ্ক চেক: নওয়াজউদ্দিন
গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’ মুক্তির পর ২০০টি সিনেমার স্ক্রিপ্ট ও ব্ল্যাঙ্ক চেকে অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার স্মৃতিতর্পণ করলেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।
বিনোদন: ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশের দুটি চলচ্চিত্র। উৎসবের মর্যাদাপূর্ণ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে সেরা ছবি হিসেবে পিপলু আর খানের পরিচালনায় ‘জয়া আর শারমিন’ অর্জন করেছে ‘বিমল রায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’।
একই আন্তর্জাতিক আয়োজনে প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে মকবুল চৌধুরীর নির্মিত ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ লাভ করেছে বিচারকদের বিশেষ সম্মাননা ‘জুরি মেনশন’।
ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়ার (এফএফএসআই) পূর্বাঞ্চল শাখার উদ্যোগে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। রোববার সন্ধ্যায় জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ী চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করা হয়।
‘জয়া আর শারমিন’ ছবির অন্যতম প্রযোজক আবু শাহেদ ইমন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কার জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি উৎসবের সম্মানিত সমালোচক, চলচ্চিত্র নির্মাতাসমূহ ও দর্শকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন:
“এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের জন্য যেমন বিরাট অনুপ্রেরণা, তেমনি বিশ্ব চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের সিনেমার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এক ইতিবাচক মাইলফলক।”
সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র (গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড) ‘জয়া আর শারমিন’ (পরিচালক: পিপলু আর খান, বাংলাদেশ)।
জুরি মেনশন (প্রামাণ্যচিত্র বিভাগ) ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ (পরিচালক: মকবুল চৌধুরী, বাংলাদেশ)।
দ্বিতীয় সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য (সিলভার অ্যাওয়ার্ড) ‘রিভার টেলস’ (পরিচালক: পঙ্কজ বরা, ভারত-অসমিয়া)।
সেরা প্রামাণ্যচিত্র (গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড) ‘ডলস ডোন্ট ডাই: পুতুলনামা’ (পরিচালক: রণজিৎ রায়)।
১১ দেশের ৩৮টি ছবির প্রতিযোগিতা।
ছয় দিনব্যাপী ব্যাপ্তির এই মর্যাদাপূর্ণ উৎসবে বিশ্বমানের মোট ৩৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়, যার মধ্যে মূল পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রতিযোগিতা বিভাগেই লড়েছে ১৯টি সিনেমা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইরান, স্পেন, জার্মানি, কোস্টারিকা, পর্তুগাল, ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা ও উজবেকিস্তানের বিশিষ্ট নির্মাতারা এ উৎসবে অংশ নেন।
পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট অধ্যাপক উজ্জ্বল চক্রবর্তী, রীতা দত্ত ও প্রদীপ কেনচানুরু।
উৎসবের পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে দ্বিতীয় সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ‘বিমল রায় সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে ভারতের অসমিয়া ভাষার ছবি ‘রিভার টেলস’। এছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র বিভাগে ড. ধৃতিশ্রী সরকারের ‘দ্য টেল অব কথা’ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ‘চিদানন্দ দাশগুপ্ত গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ জয় করেছে।