জিপিএ-৫-এর আনন্দে রংপুরে কৃতী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
রংপুর শিশু নিকেতন উচ্চবিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’। সাফল্যের আনন্দের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা তুলে ধরেছে সংগ্রাম ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা।
শিক্ষাঙ্গন: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) অনুষদের ৬০তম ব্যাচের ইন্টার্নশিপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
চলতি বছর ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদের ২০২০-২১ সেশনের (ডিভিএম-৬০তম ব্যাচ) মোট ১৭৯ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্নশিপে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে বিশ্বের ৪টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৩৫ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্নশিপ করছেন। দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ায় ১৬ জন, থাইল্যান্ডে ১২ জন, জাপানে ৪ জন এবং নেপালে ৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সেরা সিজিপিএ অর্জনকারী ২০১৯-২০ সেশনের ডিভিএম-৫৯তম ব্যাচের ৮ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে ‘অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়। পুরস্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—নুরুন লায়লা শাওন, মোছা. সাবরিনা ইয়াসমিন নুপুর, মোছা. ফাহমিদা সুলতানা জোনাকি, আফসানা মিমি, মোছা. আখি আক্তার শিলা, নওরিন জান্নাত, মো. মোরসালিন এবং মোছা. সালমা খাতুন।
ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদে ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম চালু হওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। ডিভিএম একটি অত্যন্ত সম্মানজনক ও চ্যালেঞ্জিং ডিগ্রি এবং ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গৌরবময় অনুষদ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা বিদেশে ইন্টার্নশিপে গিয়ে সাফল্য অর্জন করছে, যা পুরো দেশের জন্যই গর্বের। শিক্ষার্থীরা যেখানেই ইন্টার্নশিপ করুক না কেন, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ শিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে এবং সব ধরনের অনিয়ম থেকে দূরে থাকবে বলে আমি আশা করি।’