তেহরানে ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগ’ শোভাযাত্রা, অংশ নিলেন লাখো মানুষ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরানে ‘জানফাদা-ই-ইরান’ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে ৩ লাখ ১৩ হাজার মানুষ অংশ নেন।
আন্তর্জাতিক: তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও দীর্ঘদিনের নির্বাচনি প্রতীক ব্যবহারে ভারতের নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তিনি এ আবেদন করেন। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য উল্লেখ করা হতে পারে।
১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী দলের নাম, পরিচয় ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দাবি তুলেছে। এ বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর ১৮ সেপ্টেম্বর দুই গোষ্ঠীর জন্য আলাদা নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়েছে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক।
অন্যদিকে অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী পেয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘খাম’ প্রতীক। এই ব্যবস্থা মূলত আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখেই কমিশন এ ব্যবস্থা নিয়েছে। কমিশনের বৃহত্তর প্রক্রিয়ায় দলটির মূল নাম ও প্রতীকের দাবিদার কোন গোষ্ঠী—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা এবং দলটির সাংগঠনিক কাঠামো মূল্যায়নের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাঁর পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের সাংগঠনিক কাঠামো ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অবস্থান যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি।
তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনের পৃথক প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, উভয় পক্ষের দাবির ওপর বিস্তারিত বিবেচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় নাম ও প্রতীক ফিরে পাওয়ার জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এবার সেই বিরোধই ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে পৌঁছাল।
সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় তৃণমূলের মূল নাম ও প্রতীকের দাবির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কীভাবে হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।