সালমান খানের হুঁশিয়ারির রেশ, এবার পাপারাজ্জিদের সতর্ক করলেন ফারাহ খান
নারী তারকাদের অশালীন ছবি তোলার বিরুদ্ধে সালমানের কড়া হুঁশিয়ারির পর এবার মুম্বাইয়ে পাপারাজ্জিদের সরাসরি সতর্ক করলেন ফারাহ খান।
বিনোদন: নারীদের বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক অভিনব ও কৌতুকপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন তরুণীকে নেপাল ভ্রমণে বাধা দেওয়া ও আটকে রাখার একটি আলোচিত ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ফেসবুকে এই স্ট্যাটাস দেন তিনি।
অভিনেত্রীর এই পোস্টটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিমানবন্দরে তিন তরুণীকে আটকে দেওয়ার ঘটনা ও ফারিয়ার পোস্ট
জানা যায়, সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ভ্রমণে যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তিন তরুণী। একা ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও হয়রানির শিকার হওয়ার এই বিষয়টি নিয়ে যখন সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছিল, তখনই ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন শবনম ফারিয়া।
“মেয়েরা মহাকাশে যাবে, এভারেস্ট জয় করবে, বৈজ্ঞানিক হয়ে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করবে, স্কলারশিপ পেয়ে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়বে, গবেষণা করবে, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে এবং অলিম্পিকে খেলতে যাবে, বিশ্বকাপ খেলবে……।”
তবে এর পরই হাস্যরসের ছলে বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনের কড়াকড়ি নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি লেখেন।
“কিন্তু আপারা এসব করার আগে তোমরা বিয়ে করে যাইও, নাইলে কিন্তু এয়ারপোর্টে আটকায় দেবে! তখন আর এসব কিছুই করতে পারবা না!!!”
আলোচ্য বিষয় বিমানবন্দরে তরুণী পর্যটকদের একা ভ্রমণে ইমিগ্রেশনের বাধা ও হয়রানি।
মন্তব্যকারী শবনম ফারিয়া (জনপ্রিয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী)।
প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট/পেইজ।
মূল বার্তা একা নারী পর্যটকদের বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনের মুখোমুখি হওয়া জটিলতা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ।
শবনম ফারিয়ার এই রসাত্মক অথচ তীব্র বাস্তবমুখী পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেক নেটিজেন অভিনেত্রীর এই সুরের সাথে একমত পোষণ করে বলছেন, স্বাধীনভাবে নারীদের একা ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে এখনো দেশের বিমানবন্দরগুলোতে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় ও হয়রানিমূলক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়, যা তাদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। অন্যদিকে অনেকেই বিষয়টিকে ভিন্নভাবে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও ট্রল করছেন।