চট্টগ্রাম ওয়াসার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়াকে আফরোজা বেগম জলির অভিনন্দন।স্টাফ রিপোর্টার।
চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা বেগম জলি।
ঢাকা: মাল্টা, পোলাওয়ের চাল ও ডিমসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার পেছনে ফের অসাধু সিন্ডিকেটের সক্রিয় হয়ে ওঠাকে দায়ী করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বাজারে পর্যাপ্ত আমদানি থাকার পরেও অসাধু চক্রের কারসাজিতে জনগণের পকেট থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
সোমবার (৫ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান নাহিদ ইসলাম।
ফেসবুক পোস্টে পণ্যের বাজারমূল্যের চিত্র তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম জানান, গত দুই মাস ধরে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ অফিশিয়াল আমদানির নথি অনুযায়ী প্রতি কেজি মাল্টার প্রকৃত ক্রয়মূল্য মাত্র ৮৭ টাকা। এর সঙ্গে আমদানি শুল্ক, পরিবহন খরচ ও যৌক্তিক মুনাফা যোগ করলেও প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খরচ ২১০ টাকা হওয়ার কথা এবং খুচরা বাজারে এর দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়। সরবরাহ-সংকটের অজুহাত দেওয়া হলেও গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে অন্তত ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে। ফলে গত দুই মাসে সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
পোলাওয়ের চাল ও ডিমের বাজার নিয়ে তিনি বলেন, একসময়ের ১২০ টাকা কেজির পোলাওয়ের চাল বর্তমানে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেবল পোলাওয়ের চালের বাজার থেকেই গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের ১২ টাকা ডজন (সংশোধিত: প্রতি ডজন ১২০ টাকা) ডিম এখন ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির খাবারের দাম বাড়ার যে যুক্তি দেখানো হয়, তাতে প্রতিটি ডিমের দাম বড় জোর এক টাকা বাড়তে পারে; অথচ বাড়ানো হয়েছে পাঁচ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাজারে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আমদানি পর্যাপ্ত থাকার পরও প্রতিদিন কেন অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা সাধারণ মানুষের পকেট থেকে বের হয়ে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির পকেটে যাচ্ছে—সেই প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, দেশ আবারও ফ্যাসিবাদী আমলের মতো শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে গেছে। অবিলম্বে এই লুটেরা ও সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানান তিনি।