চীনে হোহাই ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপের আবেদন
চীনের হোহাই ইউনিভার্সিটিতে সম্পূর্ণ অর্থায়িত সিএসসি স্কলারশিপের আবেদন শুরু। স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামের সুযোগ-সুবিধা ও যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
ঢাকা: দেশের আর্থিক খাতে স্কুল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে। ২০১০ সালে শুরু হওয়া স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের আওতায় বর্তমানে ৪৮ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী ব্যাংক হিসাব খুলেছে। এসব হিসাবে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। আর্থিক শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এখন প্রতিটি ব্যাংক শাখাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ব্যাংক শাখাকে তাদের নিকটবর্তী অন্তত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে হবে। সেখানে নিয়মিত আর্থিক শিক্ষা কর্মসূচি পালন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের হিসাব খোলার সেবা দিতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এ ক্ষেত্রে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হচ্ছে। চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রতিটি শাখাকে অন্তত ৩০০টি নতুন হিসাব খুলতে হবে।
সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, স্কুল ব্যাংকিংয়ে গ্রামের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ শহরের চেয়ে কিছুটা বেশি। মোট অ্যাকাউন্টের ৫২.৭৪ শতাংশই পল্লী অঞ্চলে অবস্থিত। এছাড়া ছাত্র ও ছাত্রীদের হিসাবের অনুপাত প্রায় সমান (ছাত্র ৫০.৮১% ও ছাত্রী ৪৯.১৯%), যা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে লিঙ্গ সমতার একটি ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরে। বর্তমানে দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ৫৯টি ব্যাংকই এই সেবা প্রদান করছে।
স্কুল ব্যাংকিংয়ের উদ্দেশ্য শুধু টাকা জমানো নয়, বরং সঞ্চয়ের অভ্যাস তৈরি করা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, কোনো শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাঁর অ্যাকাউন্টটি স্বয়ংক্রয়িভাবে সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাবে রূপান্তরিত হবে। এ পর্যন্ত প্রায় ১১ লাখ ৮৭ হাজার অ্যাকাউন্ট সাধারণ হিসাবে রূপান্তরিত হয়েছে।
কিভাবে হিসাব খোলা যায়? মাত্র ১০০ টাকা জমা দিয়ে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড ব্যবহার করে যে কেউ এই হিসাব খুলতে পারে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সী হওয়ায় এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রয়োজন হয়। এই কার্যক্রমকে জনপ্রিয় করতে এ বছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৩টি স্কুল ব্যাংকিং সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে।