ওয়াশিংটন ডিসি : আবারও আলোচনায় আমেরিকার অভিবাসন নীতি। ব্রাউন ইউনিভার্সিটি ও এমআইটিতে বন্দুক হামলার ঘটনার পর ডাইভারসিটি ভিসা (DV) লটারি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান শিবিরের দীর্ঘদিনের দাবি এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কেন এই কঠোর সিদ্ধান্ত? প্রভাবশালী রিপাবলিকান সিনেটরদের মতে, ডিভি লটারি বন্ধ করা কোনো বর্ণবাদী আচরণ নয়, বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তার একটি অপরিহার্য অংশ। তাদের যুক্তি হলো: ১. নিরাপত্তা ঝুঁকি লটারির মাধ্যমে আসা ব্যক্তিদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা অনেক ক্ষেত্রে সময়সাপেক্ষ ও জটিল হয়, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ২. মেধাভিত্তিক অভিবাসন: রিপাবলিকানরা চান ‘ডাইভারসিটি, ইকুইটি অ্যান্ড ইনক্লুশন’ (DEI) নীতির পরিবর্তে দক্ষতা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে। এতে আমেরিকার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সক্ষম দক্ষ জনশক্তি বেশি সুযোগ পাবে।
যদি কংগ্রেস বা সরকারের পক্ষ থেকে এই স্থগিতাদেশ স্থায়ী রূপ নেয়, তবে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর মানুষের জন্য লটারির মাধ্যমে আমেরিকার গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে:
আইনি অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠোর ও স্ক্রিনিং ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।
লটারির বদলে কর্মসংস্থান ও মেধাভিত্তিক ভিসার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বহুগুণ বাড়বে।
জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক বা স্ক্রিনিং ব্যবস্থা আরও উন্নত করার লক্ষ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।