বাংলা

নারী ও শিশু ধর্ষণে সাজার হার ৩% ফলে বাড়ছে অপরাধের হার!

মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক অবুঝ কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার লোমহর্ষক ঘটনাটি আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্বকে আরও একবার নগ্নভাবে উন্মোচিত করেছে। এই বর্বরতার বিরুদ্ধে রাজধানীসহ সারা দেশে আজ যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে, তা কেবল একটি ক্ষণস্থায়ী আবেগ নয়—বরং বছরের পর বছর ধরে চলে আসা বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক পুঞ্জীভূত গণ-চিৎকার। যখন কোনো সমাজে আট বছরের শিশুও বিকৃত লালসার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়, তখন বুঝতে হবে সেই সমাজের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের খোলন পঁচে গেছে।

আমরা একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক সভ্যতার কথা বলছি, অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছি; অথচ আমাদের ঘরের কন্যারা আজ সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে গা শিউরে ওঠে। দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, বছরের প্রথম চার মাসেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ১১৮ জন কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং নির্মমভাবে খুন হয়েছে ১৭ জন শিশু।

এগুলো কেবল খাতা-কলমের সংখ্যা নয়; এগুলো একেকটি স্বপ্ন, একেকটি পরিবারের চিরতরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া বুকফাটা আর্তনাদ। এই লাগামহীন অপরাধের গ্রাফ প্রমাণ করে যে, আমাদের সমাজ ক্রমান্বয়ে একটি চরম সংবেদনহীন, অস্থির এবং নিষ্ঠুর জনপদে রূপান্তরিত হচ্ছে।

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘প্রথম আলো’-র একটি প্রতিবেদনে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা যেকোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক। তথ্যমতে—”নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় অপরাধীদের সাজার হার মাত্র ৩ শতাংশ।”

অর্থাৎ, ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা আইনের ফাঁকফোকর গলে, প্রভাব খাটিয়ে কিংবা তদন্তের দুর্বলতার সুবাদে খালাস পেয়ে যাচ্ছে! এই ৩ শতাংশ সাজার হার আসলে অপরাধীদের মনে আইনের প্রতি কোনো ভয় তো তৈরি করেই না, উল্টো তাদের জন্য একটি অলিখিত ‘অভয়পত্র’ বা লাইসেন্স হিসেবে কাজ করছে।

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘প্রথম আলো’-র একটি প্রতিবেদনে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা যেকোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক। তথ্যমতে—”নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় অপরাধীদের সাজার হার মাত্র ৩ শতাংশ।”

অপরাধ করার পরও যদি পার পেয়ে যাওয়া নিশ্চিত থাকে, তবে অপরাধের মাত্রা জ্যামিতিক হারে বাড়াই স্বাভাবিক। আর এখানেই রাষ্ট্রের ও সরকারের চরম ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এখন পর্যন্ত এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো যুগান্তকারী বা দৃশ্যমান কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

পল্লবীর নির্মম শিশু হত্যাকাণ্ড ও দেশব্যাপী নারী-শিশু নির্যাতনের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশবন্ধু তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও বজ্রকঠিন অবস্থান দেশের মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এই জঘন্য অপরাধের পরপরই তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে, অপরাধী যেই হোক—তার কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক রেহাই মিলবে না।

৩ শতাংশ সাজার কলঙ্কজনক পরিসংখ্যানকে আমূল বদলে দিতে এবং দ্রুত বিচারকার্য সম্পাদনের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে বেশ কিছু যুগান্তকারী প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁর বিশেষ নির্দেশনায়, এই ধরনের স্পর্শকাতর মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ‘ফাস্ট-ট্র্যাক ট্রাইব্যুনাল’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড বা আমৃত্যু কারাদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা রাখা হচ্ছে।

প্রতিটি জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও গতিশীল করতে হবে। শিশু ধর্ষণের মতো স্পর্শকাতর মামলাগুলোকে বিশেষ ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ বা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে এনে সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

অনেক সময় আসামিপক্ষের ভয়ে সাক্ষীরা আদালতে আসতে চান না। সাক্ষীদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই আইন পাস ও কার্যকর করতে হবে।

পুলিশি তদন্তে সনাতন পদ্ধতির অবসান ঘটিয়ে শতভাগ মেডিকেল, ডিএনএ টেস্ট এবং ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ নির্ভর করতে হবে। তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতি বা উৎকোচ গ্রহণের কারণে মামলা দুর্বল হলে সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ফৌজদারি ব্যবস্থার বিধান রাখতে হবে।

প্রতিটি থানায় সংবেদনশীল নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করতে হবে, যাতে ভুক্তভোগী শিশু বা তার পরিবার আইনি প্রক্রিয়া শুরুর প্রথমেই কোনো মানসিক ট্রমার শিকার না হয়।

ধর্ষণ বা শিশু নির্যাতনের মামলায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক তদ্বির, স্থানীয় ‘শালিস’ বা আপস-মীমাংসার চেষ্টা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। অপরাধীর পরিচয় কেবলই একজন ‘অপরাধী’—প্রশাসনকে এই জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

শিশু ধর্ষণের সিংহভাগ ঘটনার পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে মাদক এবং ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফির অবাধ বিস্তার। সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে এই উৎসগুলো বন্ধে চিরুনি অভিযান চালাতে হবে।

প্রতিটি ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, সমাজকর্মী ও নারীদের সমন্বয়ে ‘শিশু সুরক্ষা সেল’ গঠন করতে হবে। তারা নিজ নিজ এলাকায় কোনো ধরনের অস্বাভাবিক আচরণ বা বখাটেদের তৎপরতা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

পরিবার ও বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের খুব ছোটবেলা থেকেই ‘গুড টাচ’ এবং ‘ব্যাড টাচ’ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে, যেন তারা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বুঝতে পেরে পরিবারকে জানাতে পারে।

প্রাথমিক স্তর থেকেই পাঠ্যক্রমে নারীর প্রতি সম্মান, সহমর্মিতা এবং নৈতিক মূল্যবোধের পাঠ বাধ্যতামূলক করতে হবে। কিশোর ও যুবসমাজকে বিকৃত মানসিকতা থেকে দূরে রাখতে পাড়ায় পাড়ায় খেলাধুলা, লাইব্রেরি এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ বাড়াতে হবে।

নারী ও শিশু ধর্ষণের অপরাধকে আমলে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন যে, পুলিশি তদন্তে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাব খাটানো না যায়, সে জন্য প্রশাসনকে সম্পূর্ণ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হয়। তাছাড়া, মামলা দ্রুত প্রমাণের জন্য আধুনিক ফরেনসিক ও ডিএনএ প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং ভুক্তভোগী পরিবার ও সাক্ষীদের পূর্ণ নিরাপত্তার জন্য একটি বিশেষ সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশি তদন্তে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাব খাটানো না যায়, সে জন্য প্রশাসনকে সম্পূর্ণ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হয়। তাছাড়া, মামলা দ্রুত প্রমাণের জন্য আধুনিক ফরেনসিক ও ডিএনএ প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং ভুক্তভোগী পরিবার ও সাক্ষীদের পূর্ণ নিরাপত্তার জন্য একটি বিশেষ সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও দৃশ্যমান পদক্ষেপগুলো প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেই নন, বরং একজন অভিভাবক হিসেবে দেশের প্রতিটি কন্যাসন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং সমাজ থেকে এই পিশাচবৃত্তি চিরতরে নির্মূল করতে সম্পূর্ণ সংকল্পবদ্ধ।

পল্লবীর আট বছরের শিশুটির নিথর দেহ আমাদের বিচার ব্যবস্থার গালে একটি চপেটাঘাত। রাষ্ট্র যদি তার সবচেয়ে দুর্বল ও নিষ্পাপ নাগরিক—অর্থাৎ শিশুদের নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে সেই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়ন অর্থহীন হয়ে পড়ে। ৩ শতাংশ সাজার কলঙ্কজনক অধ্যায় থেকে বের হয়ে এসে সরকারকে আজই যুদ্ধকালীন তৎপরতা দেখাতে হবে।

আমরা আশা করব, বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দেশের মানুষের ক্ষোভকে আমলে নেবে। একটি কঠোর রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে আমাদের শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলবে।

লেখক: রোটারিয়ান এম. নাজমুল হাসান, বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

Related News

রামিসা হত্যা ও নারী নির্যাতন নির্মূল: তারেক রহমানের সামনে এসিড দমনের মতো বড় চ্যালেঞ্জ

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে ঢাকার ক্ষোভ। ডা. জুবায়দা রহমানের মন্তব্য এবং বাংলাদেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন নির্মূলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ওপর বিশেষ সম্পাদকীয়।

গণমাধ্যম কমিশন গঠন ও স্বাধীনতা: সদিচ্ছা বনাম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যের আলোকে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর একটি বিশেষ সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ।

জুলাই গ্রাফিতি : স্বৈরাচারী শাসনের পতনের সাক্ষ্য

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে “জুলাই গ্রাফিতি” কেবল দেয়ালচিত্র নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। জুলাই গ্রাফিতিগুলো বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের প্রতিরোধের ভাষা এবং ইতিহাসের একটি দৃশ্যমান দলিল। এগুলো কেবল দেয়ালচিত্র নয়, বরং আন্দোলনের সময়কার বীরত্ব, শোক এবং জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব: জাতীয় জনস্বাস্থ্যে উদ্বেগ ও সংকট উত্তরণের পথ

দেশে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হাম ও রুবেলার প্রকোপ। মৃত্যুর সংখ্যা ও হার বৃদ্ধি পাওয়ায় জাতীয় জনস্বাস্থ্যে উদ্বেগ। এই সংক্রামক ব্যাধি থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।

র‍্যাবের জন্য নতুন আইন ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ: মানবাধিকার রক্ষা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঘোষণা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিবৃতির আলোকে র‍্যাব গঠন, ফ্যাসিস্ট আমলে এর রাজনৈতিক ব্যবহার ও নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান সরকারের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার বিশেষ বিশ্লেষণ।

খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতায় নতুন দিগন্ত: তারেক রহমানের খাল পুনঃখনন কর্মসূচি ও গ্রামীণ অর্থনীতির পুনর্জাগরণ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঐতিহ্যবাহী খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন। বাংলাদেশে খাল খননের ইতিহাস, বিএনপির ভূমিকা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রভাবের বিশ্লেষণ।

চামড়া শিল্পে বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

সিলেটে আয়োজিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চামড়া শিল্পকে দেশের অন্যতম প্রধান বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাতে রূপান্তরের যে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তা বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৫০ হাজার টাকায় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। নির্যাতিত ও ত্যাগী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।

Search