ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ধারণাভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকারস’-এর দ্বিতীয় আসর আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ অপারেটর গ্রামীণফোন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সামাজিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের সৃজনশীল সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক অফিসিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিযোগিতার এবারের আসরে মূলত ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ থিম বা বিষয়ে সমাধানভিত্তিক ধারণা আহ্বান করা হয়েছে। বিষয়গুলো হলো—
১. ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষা
২. স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সুস্থতা
৩. দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ
৪. লিঙ্গসমতা ও অন্তর্ভুক্তি
৫. পরিবেশের ভারসাম্য ও জলবায়ু মোকাবিলা
৬. নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও তথ্যের গোপনীয়তা
আবেদনের নিয়ম ও পুরস্কার:
গ্রামীণফোনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদনের ক্ষেত্রে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এককভাবে অথবা সর্বোচ্চ তিন সদস্যের দল গঠন করে অংশ নেওয়া যাবে। অভিজ্ঞ বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ধারণাগুলো পরবর্তী ধাপে আরও উন্নত ও পরিমার্জিত করার সুযোগ পাবেন তরুণ প্রতিযোগীরা। এরপর চূড়ান্ত পর্বে সেরাদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলগুলোর জন্য আকর্ষণীয় আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের বিভিন্ন বিশেষ প্রোগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণের সুবর্ণ সুযোগ ও অগ্রাধিকার থাকবে।
তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ করে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরে গ্রামীণফোনের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, ‘এআই যেভাবে আমাদের শেখা, সৃষ্টি, উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ক্রমেই পরিবর্তন করছে, তাতে এ প্রযুক্তিকে বুঝে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা আজকের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফিউচারমেকারস এবং এ বছরের প্রতিপাদ্য “সামাজিক কল্যাণে এআই”-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের কেবল এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব জীবনের নানা সমস্যার সমাধান ও ইতিবাচক পরিবর্তন সাধনে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।