থালাপতি বিজয়ের হুঁশিয়ারির পর পাশে দাঁড়ালেন কঙ্গনা
রাজনৈতিক সভায় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।
বিনোদন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইনে এখন বইছে নস্টালজিয়ার এক নতুন হাওয়া। হুট করেই চার দশক পেছনে, অর্থাৎ আশির দশকে ফিরে গেছেন নেটিজেনরা। ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম খুললেই চোখে পড়ছে ভিন্টেজ ফটোশুট বা হলিউড-বলিউডের ক্লাসিক পোস্টারের আদলে তৈরি নানা ছবি। ওভারসাইজড ব্লেজার, পোলকা ডটের পোশাক, চওড়া কলারের শার্ট আর রেট্রো হেয়ারস্টাইলে চার দশকের পুরোনো সেই স্নিগ্ধ ফ্রেমে নিজেকে কেমন দেখাত—আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই-এর কল্যাণে সেটাই এখন যাচাই করে নিচ্ছেন সবাই। আর সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এই ট্রেন্ডে মজেছেন দেশের বিনোদন জগতের জনপ্রিয় তারকারাও।
ঢাকাই শোবিজের পরিচিত মুখ—পূর্ণিমা, সাফা কবির, তমা মির্জা, তাসনিয়া ফারিণ, বিদ্যা সিনহা মিম, তৌসিফ মাহবুব, আরশ খান, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও তানজিকা আমিনসহ অনেকেই এই রেট্রো রূপের ছবি শেয়ার করেছেন নিজ নিজ সামাজিক হ্যান্ডেলে।
জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা তাঁর একটি নজরকাড়া রেট্রো লুকের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নতুন ট্রেন্ড’। চিত্রনায়িকা তমা মির্জা ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ট্রেন্ড অনুসরণ করছি।’
অভিনেত্রী তানজিকা আমিন লিখেছেন, ‘গা ভাসাইলাম।’ অন্যদিকে মাসুমা রহমান নাবিলা এই ট্রেন্ডকে বর্ণনা করেছেন এভাবে, ‘কালজয়ী গান আর পুরোনো দিনের স্টাইলের সেই সোনালী যুগে ফিরে যাওয়া!’ বিদ্যা সিনহা মিম সোজাসাপ্টা লিখেছেন, ‘আশির দশকের লুক।’
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব আশির ধাঁচের একটি ফ্রেমে বন্দী হয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আশির দশকের কোনো এক বিকেল থেকে।’
অভিনেত্রী সাফা কবির ও তাসনিয়া ফারিণও এই ডিজিটাল নস্টালজিয়ায় বেশ বুঁদ হয়ে আছেন। সাফা কবির লিখেছেন, ‘আশির দশকের এই উন্মাদনা এখন পুরো ইন্টারনেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আর চরকি এতে দারুণ এক চমৎকার ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছে! আশির দশকের এই লুকে ডা. ইরিনকে কেমন লাগছে?’ একই ধারায় তাসনিয়া ফারিণ কিছুটা স্মৃতিকাতর হয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘ভালোই হতো।’
সংগীতশিল্পী পড়শীও নিজের একটি সত্তাকে ৪০ বছর আগের পুরোনো ক্যানভাসে আবিষ্কার করে বেশ রোমাঞ্চিত। ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘১৯৮০ সালে যদি থাকতাম, তাহলে মনে হয় এমন থাকতাম।’
সব মিলিয়ে, বর্তমান প্রজন্মের কাছে আশির দশকের ফ্যাশন ও সংস্কৃতি নতুন এক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আনন্দের খোরাক জোগাচ্ছে।