অসুস্থতার কারণেই প্রকাশ্যে আসছেন না শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনের প্রকাশ্যে না আসা এবং গৃহপালিত ছাগল চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা নিয়ে ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখ খুললেন আসিফ নজরুল।
আইন ও আদালত: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এই রায় প্রকাশ করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণার জন্য এই দিন পুনর্নির্ধারণ করেন। এর আগে গত ১৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
মামলায় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ সাত নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে:
ওবায়দুল কাদের: সাধারণ সম্পাদক, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।
আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।
মোহাম্মদ আলী আরাফাত: সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।
শেখ ফজলে শামস পরশ: সভাপতি, যুবলীগ।
মাইনুল হোসেন খান নিখিল: সাধারণ সম্পাদক, যুবলীগ।
সাদ্দাম হোসেন: সভাপতি, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ।
শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান: সাধারণ সম্পাদক, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বৈঠকে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র ও নিখুঁত পরিকল্পনা করা হয়। অডিও-ভিডিওসহ বিভিন্ন ডিজিটাল আলামতে যার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ (বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন)।
মূল অভিযোগ গণ-অভ্যুত্থানে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত।
রায় ঘোষণার তারিখ মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে প্রসিকিউশন উল্লেখ করে, আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর ‘দেখামাত্র গুলি’ করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। এই নির্দেশের পরেই ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডাররা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করে।
অপরাধের সার্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করার পাশাপাশি তাঁদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়েছে।